দিল্লির আদলে এবার এই রাজ্যেও ছুটবে র‍্যাপিড রেল? যা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

Published:

rapid rail

সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ যত সময় এগোচ্ছে ততই দেশের রেল ব্যবস্থায় নানা বদল ঘটছে। কখনও বন্দে ভারত এক্সপ্রেস তো কখনও বন্দে ভারত স্লিপার তো আবার এখন তালিকায় রয়েছে দেশের প্রথম বুলেট ট্রেন। রেলের সব কাজ একপ্রকার বিদ্যুতের গতিতে এগোচ্ছে। সেইসঙ্গে দেশবাসীর রেল ভ্রমণ আগের তুলনায় এখন আরও আধুনিক এবং সুবিধের হয়েছে বলে খবর। তবে এখন রেল ব্যবস্থার নতুন দিক দেখতে পারে রাজ্য। দিল্লি-মিরাটের মতো এবার আরও এক রাজ্যে র‍্যাপিড রেলের (Rapid Rail) দেখা মিলতে পারে। এই নিয়ে বড় তথ্য অবধি দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী। চলুন বিশদে জেনে নেওয়া যাক।

দিল্লির পর এবার আরও এক রাজ্য চলবে র‍্যাপিড রেল?

জানা গিয়েছে, দিল্লি-মিরাট আরআরটিএসের আদলে দ্রুতগতির আঞ্চলিক রেল নেটওয়ার্ক তৈরির সম্ভাবনা খতিয়ে দেখছে আসাম। এই বিষয়ে বড় তথ্য দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা। তিনি নিজের এক্স হ্যান্ডেলে জানিয়েছেন, ‘রাজ্যের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নশীল এলাকা ও নগরকেন্দ্রগুলিকে যুক্ত করতে এডিবির সঙ্গে প্রাথমিক আলোচনা চলছে। তবে সম্ভাব্য রুট, যুক্ত হতে পারে এমন শহর, প্রকল্পের খরচ বা সময়সীমা এখনও জানানো হয়নি।’

আরও পড়ুনঃ তৈরি হবে বালুরঘাট-শিলিগুড়ি ২৮০ কিমি এক্সপ্রেসওয়ে! জমা পড়ল প্রস্তাব

সর্বোপরি আলোচনা এগোলে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনিতে বর্তমানে দিল্লি শহরে র‍্যাপিড রেল ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। র‍্যাপিড রেলের প্ল্যাটফর্ম ও কনকোর্সগুলো আপনাকে মেট্রো স্টেশনের কথা মনে করিয়ে দেবে, কারণ এগুলোর নকশাও প্রায় একই রকম। এখানে বহুতল প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি প্রশস্ত করিডোর ও পথ-গ্যালারির ব্যবস্থা রয়েছে। সিঁড়ি, এসকেলেটর এবং লিফটগুলোও মেট্রোর মতোই।

র‍্যাপিড রেলের সুবিধা

তবে, নমো ভারত র‍্যাপিড রেলের আসন বিন্যাস দিল্লি মেট্রোর মতো নয়, বরং এয়ারপোর্ট এক্সপ্রেস লাইন মেট্রো, দুবাই মেট্রো বা ভারতীয় রেলের ট্রেনের মতো। ট্রেনটির প্রতিটি পাশে দুটি করে আসন রয়েছে এবং মাঝের দুটি সারিতে যাত্রীদের ওঠা-নামার জন্য ধরার হাতল লাগানো আছে। এই হাতলগুলো ধরে যাত্রীরা দাঁড়িয়েও ভ্রমণ করতে পারেন। নমো ভারত র‍্যাপিড রেল করিডোরে মেট্রো স্টেশনের মতো এসকেলেটর ও লিফটের পাশাপাশি সিঁড়ি, জরুরি প্যানেল এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য হুইলচেয়ার প্রবেশের সুবিধাও রয়েছে। এরকম ব্যবস্থা যদি এবার আসামেও শুরু হয় তাহলে উপকৃত হবেন সেখানকার যাত্রীরা। এখন দেখার এই বিষয়ে কোনওরকম সবুজ সংকেত মেলে কিনা।