সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ঘাসফুল কার, মমতার কালীঘাট শিবির নাকি ঋতব্রত শিবিরের, এই প্রশ্ন তৃণমূল ভাঙার পর থেকেই উঠছে রাজনীতিবিদ তথা সাধারণ মানুষের মধ্যে। দীর্ঘদিন ধরেই চলছিল দড়ি টানাটানি। অবশেষে নির্বাচন কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে গতকাল। উপনির্বাচনের আগে আপাতত ফ্রিজ তৃণমূল কংগ্রেসের নাম এবং প্রতীক। দুই শিবিরকেই নতুন নাম এবং প্রতীক বাছার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এবার এ নিয়ে সুর চড়ালেন রাজ্যের মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)।
তৃণমূলের প্রতীক নিয়ে বিস্ফোরক দিলীপ ঘোষ
গতকাল রাতেই কমিশনের তরফ থেকে অফিশিয়ালভাবে জানানো হয়েছে, আপাতত কোনও শিবিরই ঘাসফুল ব্যবহার করতে পারবে না। নতুন প্রতীক তৈরি করতে হবে দুই তৃণমূলকেই। এ প্রসঙ্গে আজ সংবাদমাধ্যমের সামনে দিলীপ ঘোষ বলেন, “বন্ধ করা উচিত এই প্রতীক। লুটের প্রতীক। নির্বাচন কমিশন এবার তো ঘাসফুল উবড়ে ফেলেছে। দম থাকলে আলাদা আলাদা টিম নিয়ে লড়ুক। দেখা যাক কার কত দম আছে। নির্বাচন কমিশন যে ডিসিশন নেবে ওটা সবাইকে মানতে হবে। এটা ওনাদের হাতে আছে। আগেও বলেছি। আর সেটাই হচ্ছে।”
দিলীপকে এদিন আরও বলতে শোনা যায়, “তৃণমূল এখন নির্মূল। আর সেটাই হবে। মানুষও চেয়েছে। যার প্রমাণ দিয়েছে বিধানসভা নির্বাচনে। আগামী দিনে গোটা তৃণমূলও যাবে, ঘাসফুলও যাবে।” এমনকি আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্ট শ্রীরামপুরে কালীঘাট তৃণমূলের সভার অনুমতি দেওয়ার প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, “ঠিক আছে। আদালত যেখানে অনুমতি দিয়েছে, সেখানেই করতে হবে ওদের।”
আরও পড়ুন: মাদ্রাসার সামনে দুর্গাপুজোর গেট, হাসনাবাদে তুমুল বিতর্ক মুসলিমদের
প্রসঙ্গত, এবারের বিধানসভা নির্বাচনের পর ভেঙে যায় তৃণমূলের বিধানসভার পাশাপাশি লোকসভাও। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৈরি হয় নব্য তৃণমূল, যারা নিজেদের ‘আসল’ বলে দাবি করে। তবে যেহেতু সামনেই উপনির্বাচন, তাই একই প্রতীকে দুই তৃণমূল লড়বে এমনটা হতে পারে না। সেই কারণেই গতকাল ফ্রিজ করা হয় ঘাসফুল প্রতীক।










