শেখ হাসিনার দলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ? ভারতের সিদ্ধান্তে আনন্দে আত্মহারা বাংলাদেশ!

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ভারতের প্রশংসায় এবার পঞ্চমুখ বাংলাদেশ (Bangladesh)! বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার (Sheikh Hasina) দল আওয়ামী লিগকে সেমিনারের অনুমতি না দেওয়ায় ভারতের প্রশংসা করলেন তারেক রহমানের মন্ত্রিসভার সদস্য তথা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তাঁর দাবি, ভারতের (India) এই পদক্ষেপ দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অত্যন্ত ইতিবাচক। যদিও ভারতের তরফে এই সংক্রান্ত কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। আওয়ামী লিগও এ নিয়ে নতুন করে কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

হাসিনার দলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ ভারতের?

বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যম প্রথম আলোর প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে, শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লিগের সাথে যুক্ত কয়েকজন নেতা গত 29 আগস্ট দিল্লির বুকে একটি আন্তর্জাতিক সভা করার অনুমতি চাইলেও নাকি সেই অনুমতি দেয়নি দিল্লি পুলিশ। বাংলাদেশের এই সংবাদমাধ্যমের দাবি, ফরেন করেসপন্ডেন্টস ক্লাব (এফসিসি) অফ সাউথ এশিয়াকে কোনও সভা করার অনুমতি দেয়নি ভারতের পুলিশ। 

এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির জানিয়েছেন, “ভারতের সভা করার অনুমতি না দেওয়ার সিদ্ধান্ত দুই দেশের মধ্যে সম্পর্কের জন্য একটি ইতিবাচক পদক্ষেপ। আমরা আশা করি বাংলাদেশ থেকে পালিয়ে যাওয়া কোনও সন্ত্রাসীকে আশ্রয় দেবে না ভারত।” বাংলাদেশের এমন দাবির পরই অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, তাহলে কি হাসিনার বিরুদ্ধে গিয়ে ওপার বাংলার সাথে সম্পর্ক আবার আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চাইছে দিল্লি? এ প্রসঙ্গে আবশ্য কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি।

আরও পড়ুন: সামনের মাসেই যুবশক্তি প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ শুরু! এই নথিগুলো রেডি আছে তো?

তারেক রহমান আদৌ ভারতে আসবেন?

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে বাংলাদেশের দায়িত্ব নেওয়ার পর পরই শোনা গিয়েছিল ভারত সফর করবেন ওপার বাংলার প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিগত দিনগুলিতে জল্পনা বেড়েছে খুব শীঘ্রই এদেশে আসতে পারেন তিনি। এ প্রসঙ্গে সাংবাদিকরা বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীকে প্রশ্ন করলে তিনি খোলাখুলি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অবশ্যই ভারত সফর করবেন। তবে ঠিক কবে তিনি ভারতে যাবেন সেই তারিখ এখনও ঠিক হয়নি। তার মানে এই নয় যে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সমস্ত আলোচনা বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আলোচনা চলছে। খুব শীঘ্রই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হবে!”