সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সাত সকালে ফের শহর কলকাতায় ইডির অভিযান (ED Raids in Kolkata)। এদিন শেক্সপিয়র সরণির এক আবাসনে আধিকারিকরা হঠাৎ হানা দেন। সূত্রের খবর, টোল প্লাজায় দুর্নীতির অভিযোগ সামনে আসতেই আজ এই অভিযান চালিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। এমনকি পশ্চিমবঙ্গ সহ দেশের মোট ১৪টি জায়গায় এই তল্লাশি অভিযান চলেছে আজ। অভিযোগ দায়ের হয়েছিল উত্তরপ্রদেশের লখনৌতে। সেই সূত্র ধরেই আজ কলকাতায় এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিল সংস্থা।
শহর কলকাতায় ইডির অভিযান
আসলে উত্তরপ্রদেশের লখনৌতে জাতীয় সড়কে টোল ট্যাক্স আদায়ে দুর্নীতির অভিযোগ দায়ের করা হয়। তদন্তের দায়ভার যায় ইনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের উপরেই। অভিযোগ উঠেছিল, সফটওয়্যারের মাধ্যমে জাতীয় সড়কে অবৈধভাবে টোল আদায় করা হত। এমনকি কোনও রকম অনুমোদিত রশিদ পর্যন্ত দেওয়া হতো না ড্রাইভারদের, এবং সেই টাকা সরিয়ে ফেলা হতো, জাতীয় সড়কের সামগ্রিক উন্নয়নে তা কাজে আসত না। কয়েক লক্ষ টাকা দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল যোগিরাজ্যের ওই টোল প্লাজায়। সেই সূত্রেই তদন্তে নামে ইডি।
আজ কলকাতার শেক্সপিয়র সরণির এক আবাসনে হঠাৎ হানা দেয় তদন্তকারী আধিকারিকরা। এক ব্যবসায়ীর বাড়িতে ঘণ্টাখানেক ধরেই তল্লাশি চলে বলে খবর। আরও জানা গিয়েছে, ওই ফ্ল্যাটে ব্যবসায়ীর একটি অফিস রয়েছে। কিন্তু ঠিক কী কী পাওয়া গিয়েছে বা টোল প্লাজার দুর্নীতির অভিযোগে কেন কলকাতায় হানা দেওয়া হল, সে বিষয়ে মুখ খোলেনি তদন্তকারী সংস্থা। এদিন ৬ সদস্যের একটি দল এই অভিযান চালায়। এমনকি কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা গোটা আবাসন চত্বর ঘিরে রাখে অভিযান চলাকালীন।
আরও পড়ুন: অস্থিরতা সত্ত্বেও দেশের জিডিপি বাড়ল ৭.৮%, কোন খাতে হল প্রবৃদ্ধি?
ইডি সূত্রে খবর, তদন্তের দায়ভার তাদের হাতে যাওয়ায় ডিজিটাল নথিপত্রের পাশাপাশি প্রমাণপত্র উদ্ধারের কাজ শুরু করেন তারা। এমনকি সেই দুর্নীতির টাকা কোথায় গিয়েছে, কার কাছে গিয়েছে, সেই তথ্য জানাই এখন ইডির মূল লক্ষ্য। তবে পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি এদিন উত্তরপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র, মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থানসহ দেশের মোট সাতটি রাজ্যে তল্লাশি চলেছে। এমনকি মোট ১৪টি জায়গায় ওই তল্লাশি অভিযান চালিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা। তবে এই দুর্নীতির আসল তথ্য এখনও পর্যন্ত হাতে আসেনি বলেই খবর।










