৮০ মণ ইলিশ এল মৎস বন্দরে, নিলামে দর উঠলো ২০ লক্ষ

Published:

Ilish Fish

অনন্যা সরকার, কলকাতা: বর্ষার শুরুতে সেভাবে ইলিশের (Ilish) দেখা না পাওয়ায় বহু ইলিশপ্রেমী হতাশ হন। তবে আবহাওয়ার পরিবর্তনের ফলে টন টন ইলিশ উঠতে শুরু করে মোহনা ও নদী থেকে। বঙ্গোপসাগরেও এবছর উল্লেখযোগ্য পরিমাণে রূপোলি শস্যের দেখা মিলেছে। যার দরুন দুই বাংলার ইলিশ অনুরাগীদের মুখেই হাসি ফুটেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশের পটুয়াখালীর কুয়াকাটার আলীপুর-মহিপুর মৎস্য বন্দরে একটি ট্রলার ৮০ মণ বা ৩.২৮ টন ইলিশ নিয়ে ফিরেছে, যা মৎস্যজীবীদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার বইয়ে দিয়েছে। মাছগুলো আলীপুরের পাইকারি বাজারে এনে নিলাম করা হলে, তা ২০ লক্ষ বাংলাদেশি টাকায় (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১৫ লক্ষ ৪৯ রুপি) বিক্রি হয়েছে।

বিপুল পরিমাণে ইলিশ এল বন্দরে

সূত্রের খবর, ‘এফবি আবদুল্লাহ’ নামের ট্রলারটির বাদশা মাঝি ১৮ জন মৎস্যজীবীকে নিয়ে চার দিন আগে গভীর সমুদ্রে গিয়েছিলেন। দুই দিন মাছ ধরার পরই, বুধবার পায়রা বন্দরের শেষের দিকের বয়ার (buoy) কাছে মৎসশিকারিরা প্রচুর ইলিশ ধরতে সক্ষম হন। ওই দিনই বিকেল বেলা মাছগুলো আলীপুর মৎস্য বন্দরের ‘সিফাত ফিশ’-এ আনা হয় এবং এগুলি মোট ২০ লক্ষ টাকায় নিলামে বিক্রি হয়।

ট্রলারের মাঝি বাদশা জানিয়েছেন যে, অনেকদিন ধরেই ওই অঞ্চলের সমুদ্রে ইলিশের দেখাই মিলছিল না, যা ভরা বর্ষার মরশুমে অনেক মৎজীবিকেই হতাশ করেছিল। তবে হঠাৎ করেই প্রায় ৮০ থেকে ৯০ মণ ইলিশ জালে উঠেছে, তবে মাছগুলো আকারে কিছুটা ছোট। তিনি জানান, মাছগুলো ২০ লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। চার দিন আগে ১৮ জন জেলে নিয়ে সমুদ্রে যান বাদশা, দুই দিন মাছ ধরার পর ধরা পড়া মাছগুলি বিক্রির জন্য তাঁরা আলীপুরে ফিরে আসেন। 

আরও পড়ুন: জানেন কেন চোখের মণির রং সকলের এক হয় না? রইল জরুরি তথ্য

এদিকে কলাপাড়া উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা অপু সাহা জানান, জলবায়ুগত পরিবর্তনের জন্য বেশ কিছুদিন ধরেই সমুদ্রে ইলিশের দেখা পাওয়া যাচ্ছিল না। তবে এখন আবার ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়তে শুরু করেছে। বৃষ্টি আরও বাড়লে ইলিশের পরিমাণও বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে, এর ফলে মৎস ব্যবসায়ী থেকে ইলিশপ্রেমী সবার মুখেই হাসি ফুটবে বলে আশা করা হচ্ছে।

আরও Ilish