সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: ভারতজুড়ে আজ পালিত হচ্ছে স্বাধীনতা দিবস। যেখানে ভারতে শান্তিপূর্ণভাবে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের সম্মান জানিয়ে তিরঙ্গা যাত্রায় অংশগ্রহণ করে আমজনতা, সেখানে ঠিক তার উল্টো ছবি পড়শি দেশ পাকিস্তানে (Pakistan)। দেশটির স্বাধীনতা দিবস ঠিক একদিন আগে, অর্থাৎ ১৪ আগস্ট। তবে তারা শহরজুড়ে ফাঁকা জায়গায় গুলিবর্ষণ করেই প্রতিবছর এই স্বাধীনতা দিবস উদযাপন করে। তবে এবারের এই গুলিবর্ষণে নিহত হয়েছে অন্তত ২ জন, এবং আহত প্রায় শতাধিক। ঘটনায় চাঞ্চল্য সন্ত্রাসের দেশে।
পাকিস্তানের স্বাধীনতা দিবসে হতাহত
দেশটিতে ৭৯ তম স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়েছে গতকাল। তবে সেই ঘটনাতেই এই হতাহতের খবর। প্রতিবছরের মতো ঐতিহ্যগতভাবেই বিপুল সংখ্যক মানুষজন পতাকা, আতশবাজি, বাইক র্যালি এবং উৎসবমুখর সমাবেশের মাধ্যমে এদিন রাস্তায় নেমেছিল। তবে তারা প্রতিবছর ফাঁকা জায়গাতে বাতাসে গুলিবর্ষণ করে এই দিনটি উদযাপন করে। তবে এবার বন্দুক থেকে ছিটকে আসা গুলিতেই আহত হয়েছে প্রায় শতাধিক মানুষ। এমনকি ইতিমধ্যেই দু’জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে। ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে দেশটির বুকে।
পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডনের রিপোর্ট অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই ১৭ জন আহতকে সিভিল হাসপাতালে, ২৪ জনকে আব্বাদি শহীদ হাসপাতালে এবং ৫৩ জনকে জিন্নাহ পোস্ট গ্রাজুয়েট মেডিক্যাল সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। তবে নিহতদের মধ্যে একজন শিশু ছিল, পাশাপাশি পিআইবি কলোনির এক ব্যক্তি নিহত হয়েছে বলেই খবর সূত্রের। এমনকি গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক মহিলাকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হলে পরে তিনি মারা যান। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, গুলিতেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
আরও পড়ুন: হাবড়ার পর দিনহাটা, এসটিএফ-র হাতে গ্রেফতার ৩ ISI এজেন্ট
তবে শুধু করাচি নয়, বরং পাকিস্তানের মালির, আজিজাবাদ, নর্থ নাজিমাবাদ, গুলবাহার, জামশেদ কোয়ার্টাস, গুলশান-ই-ইকবাল সহ বেশ কিছু এলাকায় ফাঁকা জায়গায় গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। যদিও এর আগে এধি ফাউন্ডেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১০ জন মহিলা, ১৭ জন শিশু এবং ৫৯ জন পুরুষ সহ মোট ৮৬ জন আহত হওয়ার খবর মেলে। তবে পরে হাসপাতালে সরকারিভাবে আহতের সংখ্যা ১০০ পেরিয়ে যায়। ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে গোলাগুলির খবর ছড়িয়ে পড়লে করাচি পুলিশ কঠোর অভিযান শুরু করেছে। পাশাপাশি পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, তিনজন সন্দেহভাজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।










