সহেলি মিত্র, কলকাতা: বর্ষা আসতে এখনো ঢের বাকি। তারই মধ্যে ইলিশ (Ilish) নিয়ে হাহাকার পড়ে গেল। এক সময় যখন নদীতে জাল ফেললেই ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ উঠে আসত, এখন সেসব শুধুই স্মৃতি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এখন জালে ৫০০ থেকে ৮০০ গ্রামের ইলিশ উঠলেই খুশিতে চকচক করে ওঠে মৎস্যজীবীদের চোখ। সেখানে কয়েক বছর আগে অবধি নদীতে জাল ফেললেই কয়েক কেজি মাছ উঠতো। এমনিতেই পয়েলা বৈশাখের আগের এবং পরবর্তী সময় থেকেই মাছ নিয়ে হাহাকার পড়ে গিয়েছিল সব দিকে। পরিস্থিতি দুঃসহ হয়ে উঠেছে সকলের কাছে। এদিকে পেট চালানো দায় হয়ে পড়েছে মৎস্যজীবীদের কাছে। পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে? এখন সেদিকেই নজর রাখছেন সকলে। তবে এরই মাঝে ইলিশ মাছ নিয়ে সামনে এলো বড় আপডেট।
ইলিশ নিয়ে হাহাকার
প্রকাশ্যে এবার এমন এক বড় আপডেট সামনে এসেছে যা সকলকে একলাফে খুশি করে দিয়েছে। আসলে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পরে ইমরান আহমেদ নামে এক মৎস্যজীবীর জালে ধরা পড়ে পেল্লাই সাইজ ও ওজনের ইলিশ মাছ। স্থানীয় সূত্রে খবর, ১ কেজি ৫০ গ্রাম ওজনের একটি ইলিশ জালে ধরা পড়ে। এই এক মাছকে ঘিরেই খুশিতে ডগমগ সকলে। সবথেকে বড় কথা এই পেল্লাই সাইজ ও ওজনের মাছটি রীতিমতো বিক্রি হল সোনার দরে। হ্যাঁ ঠিকই শুনেছেন।
সোনার দরে বিক্রি হল ইলিশ
ঘটনাটি ঘটেছে বাংলাদেশের নেছারাবাদে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা নদীতে সেখানকারই কামারহাটির মৎস্যজীবী ইমরান আহমেদের জালে ওঠে ১ কেজি ৫০ গ্রাম ওজনের মাছ। এই মাছটি পরে বিক্রি হয় ২৫০০ টাকায়। স্থানীয়দের কাছে এখন ইলিশ মাছ সোনার দামে হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। অনেকের বক্তব্য, দীর্ঘ এক বছর পর তাঁরা এত বড় মাছ জালে উঠতে দেখলেন। ইতিমধ্যেই সে বাংলা হোক বা ওপার বাংলা ইলিশ মাছের সংকটের জন্য বাজারে যে মাছ পাওয়া যাচ্ছে সেগুলির দাম আকাশ ছোঁয়া। সাধারণ মানুষের পক্ষে সেই মাছ কেনা রীতিমতো অসাধ্য হয়ে পড়েছে। এদিকে সামনেই রয়েছে বর্ষার মরশুম। সেখানে এদেশে যোগান কতটা হবে তা নিয়ে ইতিমধ্যে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ পার ক্যাপিটা GDP-তে ভারতকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ, রিপোর্টে প্রকাশ IMF-র
সব থেকে বড় কথা বাংলাদেশ থেকে এপার বাংলায় কত পরিমাণে মাছ আসবে সেটাও এখন প্রশ্নের মুখে দাঁড়িয়েছে। বাংলাদেশে এরকম ভাবে মাছের সংকট বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই দেখা যাচ্ছে। এরকম পরিস্থিতির ফলে মৎস্যজীবীদের মধ্যে মাছ নিয়ে রীতিমতো হাহাকার পড়ে গিয়েছে পরিস্থিতি কবে ঠিক হবে সেই উত্তর জানা নেই কারোর।










