ছিলেন ইরান-আমেরিকার প্রতিনিধিরা, সেই হোটেলের বিল মেটাতে পারেনি পাকিস্তান!

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: বারবার লজ্জা পেতে বোধহয় ভাল লাগে পাকিস্তানের (Pakistan)! সম্প্রতি আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যেকার সংঘাত মেটাতে মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা নিয়েছিল ইসলামাবাদ। ইসলামের দেশ ভেবেছিল বোধহয় দুই বড় শক্তির মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে পারলে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে গুরুত্ব পাবে। তবে সেই কাজ করতে গিয়ে নিজের নাক নিজেই কাটলো পাকিস্তান! জানা যায়, আমেরিকা-ইরানের মধ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য যে হোটেল ভাড়া করে বৈঠক করা হয়েছিল সেই হোটেলের বিল মেটাতেই পারেনি পাক সরকার।

ফের মুখ পুড়ল পাকিস্তানের!

আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যেকার সংঘাত বড় আকার নিলে গোটা বিশ্ব বাজারে তৈরি হয়েছিল অস্থিরতা। ঠিক সেই পরিস্থিতিতে সুযোগ বুঝে হোতা হতে গিয়েছিল পাকিস্তান! ওয়াশিংটন এবং তেহরানের মধ্যেকার উত্তেজনা কমাতে মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছিল তারা। দুই দেশের প্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করার আহ্বান জানিয়েছিল ইসলামাবাদ। আর সেই বৈঠকের আগে এবং পরে আমেরিকা এবং ইরানের প্রতিনিধিদের রাখতে যে বিলাসবহুল হোটেল ভাড়া করা হয়েছিল সেই হোটেলের বিল মেটাতে পারেনি পাকিস্তান সরকার।

শোনা যায়, বৈঠক শেষ হওয়ার পর নিজের কৃতিত্ব বুঝে নিলেও যে বিলাসবহুল হোটেলে দুই দেশের প্রতিনিধিরা ছিলেন সেই হোটেলের বিল মেটাতে একেবারে হিমশিম খেতে হয়েছে শেহবাজ সরকারকে। কয়েকটি সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়, পাকিস্তান সরকার শেষ পর্যন্ত হোটেলের বিল মেটাতে না পারলে হোটেলটির মালিক সংস্থা সেই বিল মিটিয়ে দেয়। সূত্রের খবর, হোটেলের মালিক সংস্থার সাথে যোগাযোগ রয়েছে আগা খান ডেভেলপমেন্ট নেটওয়ার্কের।

 

অবশ্যই পড়ুন: ঢুকবে না গরম হাওয়া, বাড়বে নিরাপত্তাও, এবার লোকাল ট্রেনেও অটোমেটিক দরজা

এদিকে হোটেলের বিল না মেটাতে পাড়ার ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই ছি ছি পড়ে গিয়েছে পাকিস্তানকে নিয়ে। যে পাকিস্তান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে গোটা বিশ্বে গুরুত্ব পেতে চেয়েছিল তাদেরকে নিয়েই এখন চলছে দেদার ট্রোলিং। সোশ্যাল মিডিয়ায় কান পাতলেই উঠে আসছে পাকিস্তানের ভঙ্গুর অর্থনীতির খবর। কেউ কেউ আবার পাকিস্তানকে খোঁচা দিয়ে বলছেন, “যে দেশ অন্যের কাছে হাত না পাতলে চলতে পারে না, তারা আবার যুদ্ধ থামাবে!” সব মিলিয়ে, হোটেলের বিল না মিটিয়ে অপমানিত পাক সরকার।