বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: ছাত্র আন্দোলনের (Student Protest) মধ্যে দিয়ে ক্ষমতার হাত বদল যেন আধুনিক প্রজন্মের এক নতুন ট্রেন্ড। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে আশেপাশের একাধিক দেশে ছাত্র যুবদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে ভেঙেছে শাসকের দম্ভ! বদলেছে সরকার। মূলত দুর্নীতি, অপসাশন এবং সরকারের একাধিক অনৈতিক কাজকর্মের বিরুদ্ধে বারবার পথে নেমেছে তরুণ প্রজন্ম। তাঁরাই উৎখাত করেছে দুর্নীতিগ্রস্ত প্রশাসককে। তারই এক উজ্জ্বল উদাহরণ তুলে ধরল সার্বিয়া (Serbia)। ছাত্রদের বিক্ষোভের মুখে পড়ে দীর্ঘকালীন শাসন প্রায় শেষ হয়েছে আলেকজান্ডার ভুসিচের!
14 বছরের আধিপত্য শেষ!
সার্বিয়ার রাজনীতিতে নতুন অঙ্ক তৈরি হয়ে গিয়েছিল 25 অক্টোবর সংসদীয় নির্বাচনের পরই। ওই এক নির্বাচনে সাফল্য পেয়েছে ছাত্র আন্দোলন থেকে উঠে আসা স্টুডেন্ট লিস্ট—স্টুডেন্টস উইন। সেই সাফল্যের কথা জানিয়েছিলেন আলেকজান্ডার ভুসিচে নিজেই। চূড়ান্ত নির্বাচনী ফলাফল প্রকাশের আগেই প্রাথমিক তথ্য থেকে আলেকজান্ডার নিজে থেকেই পরাজয় স্বীকার করে নিয়েছিলেন।
সার্বিয়ার দীর্ঘদিনের প্রশাসক জানিয়ে দিয়েছিলেন, ছাত্রদের সমর্থিত দল 250 আসনের মধ্যে 135 থেকে 140টি আসন পেতে পারে। অন্যদিকে তাঁর সমর্থিত তালিকা পেতে পারে 105টি আসন। চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগে ভুসিচ সার্বিয়ার রাজনীতির মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছেন পরাজয় স্বীকার করে! আর এর মধ্যে দিয়ে সে দেশের রাজনীতিতে আত্মপ্রকাশ করে 14 বছরেরও বেশি সময়কার আধিপত্যকে ধাক্কা দিল যুবরা!
আরও পড়ুন: নেপাল লিগে খেলতে দেশের প্লেয়ারদের থেকে ২৫,০০০ ডলার দাবি পাকিস্তান বোর্ডের!
উল্লেখ্য, 2012 সাল থেকেই সার্বিয়ার ক্ষমতা ধরে রেখেছিল সার্বিয়ান প্রগ্রেসিভ পার্টি। তবে সেই রাজনৈতিক আধিপত্যে বিরাট ধাক্কা দিল ছাত্র আন্দোলন। যা দেশটির ইতিহাসে বড়সড় দৃষ্টান্ত হয়ে রইল। এমনিতেও গত সেপ্টেম্বরে প্রেসিডেন্ট পদ ছেড়ে প্রধানমন্ত্রী হওয়ার লক্ষ্যে নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেছিলেন ভুসিচ। কাজেই নির্বাচন একটি দলের জয় পরাজয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই বরং ভুসিচের রাজনৈতিক ভবিষ্যতের ক্ষেত্রেও বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।










