প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দীপাবলি (Diwali 2026) মানেই আলোর রোশনাই, আর এই আনন্দে সামিল হতে অনেকেই বাজি পোড়ান। সে যে কত রকমের বাজি পোড়ানো হয় তা বলার বাইরে। তবে বাজি পোড়ানোর সময়ে আনন্দ করতে করতে সতর্কও থাকতে হবে। কারণ মুহূর্তের একটু অসাবধানতা ঘটে যেতে পারে বড় বিপদ (Firecracker Burn)। তবে এই সময় না ঘাবড়িয়ে বরং ঠান্ডা মাথায় সঠিক কয়েকটি উপায় (Burn First Aid Tips) মানলেই অনেক বড় বিপদ এড়ানো যায়। চলুন সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
কোনও জায়গা পুড়ে গেলে ত্বকের নীচে তাপ জমতে থাকে। এই তাপকে যদি দ্রুত বার করে দেওয়া না যায়, তাহলে ক্ষত উপর থেকে দেখতে ছোট মনে হলেও ভিতরে ভিতরে আরও গভীর হতে থাকে। তাই এই সময় প্রাথমিক ইমারজেন্সি চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনে নিন বাজির কারণে হাত পায়ে অল্প পুড়ে গেলে কী কী করবেন।
পুড়ে গেলে কী করবেন?
- পোড়া স্থানটি সঙ্গে সঙ্গে ঠান্ডা জলের নীচে রেখে দিতে হবে অন্তত ২০ মিনিট ধরে। এতেই ভিতরের তাপটা বেরিয়ে যাবে। তার পর একটা পরিষ্কার, শুকনো কাপড় দিয়ে জায়গাটা আলতো করে ঢেকে রাখতে হবে।
- ফোস্কা পড়লে ফুলে থাকে এবং মনে হয় ভিতরে জল জমে আছে তবে সেটি কখনও নিজে থেকে ফাটাতে যাবেন না। এমনকি ওই জায়গায় কোনও গয়না, ঘড়ি, আংটি যেন না থাকে, তাহলে জায়গাটা ফুলে গেলে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে আরও ক্ষতি বাড়বে।
আরও পড়ুন: মা লক্ষ্মীর কৃপা পেতে কালীপুজোর আগে বাড়িতে আনুন এই ৪ পরিবর্তন, ফিরবে সুখ
- এছাড়াও বাজিতে শরীরের কোনও অংশ পুড়ে গেলে তার উপর অনেকে বরফ দেয় এতে ত্বকের তাপমাত্রা হঠাৎ করে কমে গিয়ে পেশির ক্ষতি হতে পারে। এছাড়াও অনেকেই টুথপেস্ট লাগান। টুথপেস্টে মেন্থল থাকে বলে লাগানোর পরে সাময়িক ঠান্ডা লাগে। কিন্তু আসলে এটি ভিতরের তাপকে বেরোতে দেয় না, ফলে ক্ষত আরও গভীর হয়।
- যদি কেমিক্যাল বার্ন বা ইলেকট্রিক বার্ন হয় কিংবা থার্ড ডিগ্রি বার্ন হয় তাহলে সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াই উচিত। মনে রাখবেন, পোড়ার ক্ষেত্রে প্রথম ২০ মিনিটের খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ওই সময় ঠিক করে চিকিৎসা করলে ক্ষতটা তাড়াতাড়ি সারবে। এ ছাড়া শ্বাসকষ্ট, মুখে পোড়া, জ্ঞান হারানো বা গুরুতর আঘাত হলে অবিলম্বে রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যান।










