স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তুমুল অশান্তি? বেডরুমের বাস্তুতে আনুন এই ৬ পরিবর্তন

Published:

VASTU

আনিষা চৌধুরী, কলকাতা: স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কে ছোটখাটো ঝগড়া, মান-অভিমান কিংবা মতের অমিল থাকতেই পারে। অনেক সময় এই টুকটাক ঝগড়া সম্পর্কের মধ্যে ভালোবাসা ও বোঝাপড়া আরও বাড়িয়ে তোলে। তবে সেই ঝগড়া যদি ক্রমশ ভয়ংকর রূপ নিতে শুরু করে, কিংবা প্রায় প্রতিদিনই অশান্তি লেগে থাকে, তাহলে বিষয়টিকে হালকাভাবে নেবেন না। দীর্ঘদিনের মনোমালিন্য দূরত্ব তৈরি করতে পারে দুজনের মধ্যে। সম্পর্কের এমন অশান্তির নেপথ্যে থাকতে পারে শোওয়ার ঘরের (Bedroom) বাস্তুগত (Vastu) সমস্যা, এমনটাই মনে করেন বাস্তু বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, ঘরের কিছু পরিবর্তন দাম্পত্য জীবনে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।

শোওয়ার ঘরটা যেন বাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে থাকে

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বামী-স্ত্রীর শোওয়ার ঘর বাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম দিকে হওয়া সবচেয়ে ভালো। এই দিকের ঘর দাম্পত্য জীবনে স্থিতিশীলতা ও বোঝাপড়া বজায় রাখতে সাহায্য করে বলে মনে করা হয়।

একটি গদির ব্যবহার করুন

বিছানায় দুটি আলাদা গদি ব্যবহার না করে একটি বড় গদি ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। বাস্তু মতে, একটি গদি স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে একতা ও পারস্পরিক বন্ধনের প্রতীক।

বিছানায় স্ত্রীর শোওয়ার দিক

বাস্তু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, স্বামীর বাঁ দিকে স্ত্রীর ঘুমানো উচিত। এতে দাম্পত্য সম্পর্কে ভালোবাসা ও বোঝাপড়া বজায় থাকে।

বিছানার সামনে আয়না রাখবেন না

শোওয়ার ঘরে এমন জায়গায় আয়না রাখা উচিত নয়, যেখান থেকে বিছানার প্রতিচ্ছবি দেখা যায়। বাস্তু মতে, বিছানার সামনে আয়না থাকলে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি ও অশান্তি বাড়তে পারে। প্রয়োজনে আয়নার অবস্থান পরিবর্তন করুন।

দক্ষিণ বা পশ্চিম দিকে মাথা রেখে ঘুমান

ঘুমানোর সময় মাথা দক্ষিণ অথবা পশ্চিম দিকে রাখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বাস্তু শাস্ত্র অনুযায়ী, এইভাবে ঘুমানো দাম্পত্য জীবনে ইতিবাচক পরিস্থিতি বজায় রাখতে সহায়ক।

বেডরুমে টিভি বা কম্পিউটার রাখবেন না

শোওয়ার ঘরে টিভি, ল্যাপটপ কিংবা কম্পিউটারের মতো বৈদ্যুতিন সামগ্রী না রাখাই ভালো বলে মনে করেন বাস্তু বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এই ধরনের সামগ্রী ঘরের ইতিবাচক পরিবেশে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

আরও পড়ুন: গ্রাফটেড বেগুন চাষে ব্যাপক লাভ, ৭ থেকে ৮ লক্ষ আয় করছেন নদিয়ার কৃষক

তবে মনে রাখতে হবে, বাস্তু সংক্রান্ত এই পরামর্শগুলি প্রচলিত বিশ্বাসের উপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। এগুলির মাধ্যমে দাম্পত্য জীবনের অশান্তি একেবারে নির্মূল হয়ে যাবে, এমন কোনও বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে সুস্থ সম্পর্ক বজায় রাখতে একে অপরের প্রতি বিশ্বাস, সম্মান, ভালোবাসা এবং মন খুলে কথা বলা সবচেয়ে বেশি জরুরি।

google button