কচু খেলেই চুলকোচ্ছে গলা? এই ঘরোয়া টিপসেই মিলবে স্বস্তি

Published:

Taro

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: বাঙালি হেঁসেলে কচু (Taro) দিয়ে একাধিক রেসিপি বানা যায়। কিন্তু সমস্যা একটাই, বেশ কয়েকটি কচু খেলে গলা চুলকায় (Throat Itch)। কারণ ওল বা কচুর মধ্যে থাকে র‌্যাফাইড, যা গাছের রেচন পদার্থ। আর এটাই গোলা চুলকানোর মূল কারণ। এই সূঁচের মতো ক্ষুদ্র কণাগুলো মুখ, জিভ ও গলায় আটকে গিয়ে জ্বালা, খুসখুসে ব্যথা বা চুলকানির মতো অস্বস্তি তৈরি করে। তবে চিন্তা নেই, বেশ কয়েকটি ঘরোয়া উপকরণেই মিলবে স্বস্তি। চলুন একনজরে জেনে নেওয়া যাক সেই সমস্ত ঘরোয়া উপায়গুলো।

কচু খেলেই কেন চুলকায় গলা?

কচুর গাছের মূলে, কাণ্ডে এবং পাতায় রেচন পদার্থ র‍্যাফাইড যৌগ থাকে। যদিও অতিরিক্ত উত্তাপে এই র‌্যাফাইডের বেশির ভাগই গলে যায়। তবুও অনেক সময়ে কিছু কিছু র‌্যাফাইড অক্ষত থেকে যায় কচুতে। তা গলার অস্বস্তি বাড়িয়ে দেয়। শুধু তাই নয়, এই র‌্যাফাইড কিডনিতে পাথর জমার কারণও হয়ে দাঁড়ায়। তাহলে চলুন কচুর জন্য গলা ধরলে বা চুলকোলে কী কী করণীয়।

  • যদি ওল বা কচু খাওয়ার পর গলায় চুলকায়, তখন গরম দুধ বা মধু খেতে পারেন। এর জন্য এক গ্লাস গরম দুধে দেড় চামচ মধু মিশিয়ে খেলে গলার জ্বালা দ্রুত কমে যায়, এবং সুস্থ থাকে কিডনিও।
  • কচু খাওয়ার আগে তার গায়ে লেবু বা তেঁতুলের রস লাগিয়ে নিতে পারেন। এগুলিতে যথাক্রমে সাইট্রিক এবং টার্টারিক অ্যাসিড থাকে। সেগুলি কচুর রেচন পদার্থ র‌্যাফাইডকে গলিয়ে দেয়। ফলে গলার চুলকানির আশঙ্কা থাকে না এমনকি কিডনির স্বাস্থ্যও ভাল থাকে।
  • কচু খাবার পর যদি গলা ধরে আসে এবং চুলকোয় তখন নুন মেশানো হালকা গরম জল দিয়ে কুলকুচি করে দেখতে পারেন। এতে গলার জ্বালাভাব অনেকটা আরাম দেবে। এছাড়াও নারকেলের দুধ খেলেও অনেক সময় চুলকানি কমে যায়।

আরও পড়ুন: সিলিং ফ্যানে জমে রয়েছে মোটা স্তরের ধুলো? ৩ সহজ ঘরোয়া উপায়েই মিলবে সমাধান

  • কচুর থেকে চুলকানির সমস্যা এড়িয়ে যাওয়ার জন্য ওল বা কচুতে সরষের তেল ও নুন মাখাতে পারেন। প্রথমে টুকরো করে কেটে ভাল করে ধুয়ে নিন। তারপর সর্ষের তেল, নুন ও সামান্য হলুদ গুঁড়ো দিয়ে মাখিয়ে রেখে দিন, দেখবেন গলা ধরবে না।
  • গলার চুলকানির বাব কমাতে এক টুকরো গুড় বা মিছরি খাওয়া যেতে পারে। তাহলেই মিলবে আরাম, কারণ গুড় গলার ভেতরে একটি পিচ্ছিল আস্তরণ তৈরি করে এবং লালা নিঃসরন বাড়িয়ে অস্বস্তি দূর করে।
আরও Taro Throat