সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ অষ্টম বেতন পে কমিশন (8th Pay Commission) নিয়ে অপেক্ষার মাঝেই সামনে এল বিরাট খবর। এমনিতেই অষ্টম বেতন পে কমিশন নিয়ে আলোচনা দীর্ঘ হচ্ছে। এদিকে এটি লাগু হওয়ার আগে বহু কর্মচারী এবং পেনশনার সংগঠনগুলি গ্র্যাচুইটির (Gratuity) নিয়মে বদল আনার দাবি জানিয়ে আসছে। এই পরিবর্তনগুলোর মধ্যে রয়েছে গ্র্যাচুইটির সীমা বৃদ্ধি, গ্র্যাচুইটি গণনার পদ্ধতিতে পরিবর্তন এবং কর্মচারীর মৃত্যুর পর প্রদত্ত সুবিধার উন্নতি করা। এখন শোনা যাচ্ছে, কর্মচারীদের দাবি পূরণ হলে কর্মচারীরা ৭৫ লক্ষ টাকা গ্র্যাচুইটি পাবেন।
কর্মচারীদের দাবি কী কী?
সরকারি কর্মচারীরা বাধ্যতামূলক পাঁচ বছরের চাকরি জীবন পূর্ণ করার পর অবসর গ্রহণ করলে গ্র্যাচুইটি পাওয়ার অধিকারী হন। কোনো সরকারি কর্মচারী কর্মরত অবস্থায় মারা গেলে, তাঁর পরিবার নির্ধারিত হারে গ্র্যাচুইটি পাওয়ার অধিকারী হন। সেক্ষেত্রে অবসরকালীন ও মৃত্যুকালীন গ্র্যাচুইটি (কর্মচারীর অবসর বা মৃত্যুর পর পরিবার কর্তৃক প্রাপ্ত অর্থ) = প্রতি ৬ মাস চাকরি পূর্ণ হওয়ার জন্য (মূল বেতন + মহার্ঘ ভাতা/ডিএ)-এর এক-চতুর্থাংশ (১/৪)।
আরও পড়ুনঃ র্যাপিডো চালককে অপমান, গালিগালাজ করার শাস্তি! কোম্পানি থেকে বরখাস্ত ভাইরাল তরুণী
গ্র্যাচুইটির পরিমাণ হলো কর্মচারীর বেতনের (মূল বেতন + মহার্ঘ ভাতা) ১৬.৫ গুণ অথবা সর্বোচ্চ ২৫ লক্ষ টাকা। ইন্ডিয়ান রেলওয়ে টেকনিক্যাল সুপারভাইজার্স অ্যাসোসিয়েশন তাদের স্মারকলিপিতে জানিয়েছে, “অবসরকালীন গ্র্যাচুইটি অবসর গ্রহণের তারিখে প্রাপ্ত মাসিক বেতন ও মহার্ঘ ভাতার এক-তৃতীয়াংশ হারে, প্রতি ছয় মাস অন্তর গণনা করা উচিত। ৩৩ বছর বা তার বেশি সময় ধরে অপরিহার্য চাকরির ক্ষেত্রে, প্রদেয় অবসরকালীন গ্র্যাচুইটি হবে মাসিক বেতন ও মহার্ঘ ভাতার ৩২ গুণ, যার সর্বোচ্চ সীমা হবে ৫০ লক্ষ টাকা।”
কর্মচারীরা পেতে পারেন ৭৫ লক্ষ টাকার গ্র্যাচুইটি!
অন্যদিকে জাতীয় পরিষদ-যৌথ পরামর্শক সংস্থা (এনসি-জেসিএম) প্রস্তাব করেছে যে, গ্র্যাচুইটির সর্বোচ্চ সীমা ৭৫ লক্ষ টাকা করা হোক। তারা আরও দাবি করেছে যে, গ্র্যাচুইটি ৩০ দিনের পরিবর্তে ২৫ দিনের ভিত্তিতে গণনা করা হোক। বেসরকারি খাতের কর্মচারীদের উদাহরণ দিয়ে তারা যুক্তি দেখিয়েছে যে, সরকারি কর্মচারীদেরও অনুরূপ সুবিধা পাওয়া উচিত।










