বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: শেয়ারবাজারে (Stock Market) বিনিয়োগ করে মোটা টাকা আয় করার স্বপ্ন দেখেন অনেকেই। অনেকেই আবার বাজারের ঝুঁকি নিতে চান না। তাই ফিক্সড ডিপোজিট বা MIS এর মতো প্রকল্পগুলিকে বেছে নেন। অনেকেই আবার মিউচুয়াল ফান্ডে বিনিয়োগ করেন। তবে দিল্লির 45 বছর বয়সী নরেশ ভরদ্বাজ এসব কিছুই করেননি। কিছু না করেও তিনি 3 কোটি টাকার মালিক হওয়ার পথে। কিন্তু কীভাবে?
কীভাবে 3 কোটি টাকার মালিক হতে চলেছেন নরেশ?
45 বছর বয়সের মধ্যবয়স্ক নরেশ বাবু দিল্লির স্থায়ী বাসিন্দা। তিনি মূলত শিক্ষা প্রকাশনা শিল্পে কাজ করেন। জানলে অবাক হতে হয়, বাকিরা যেখানে নিজেদের ভবিষ্যৎ আর্থিক দিক থেকে সুরক্ষিত করতে FD থেকে শুরু করে মিউচুয়াল ফান্ড বা শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ (Investment Plan) করেন সেখানে নরেশ বাবুর এগুলির কোনটিতেই অ্যাকাউন্ট নেই। কিন্তু তা সত্ত্বেও নিজের কর্ম জীবন শেষ করার পর তাঁর হাতে থাকবে 3 কোটি টাকার বিরাট তহবিল। শুধু তাই নয়, মাসে মাসে 1 লাখ টাকা করে পেনশনও পাবেন তিনি।
এখন প্রশ্ন হল, কীভাবে, কোথায় টাকা রেখে এত বিপুল সম্পদের মালিক হতে চলেছেন দিল্লির এই ব্যক্তি? নরেশ বাবু জানিয়েছেন, তিনি খুব সহজ-সরল মানুষ। তাই শেয়ারবাজার বা মিউচুয়াল ফান্ডের ঝামেলায় না গিয়ে সোজা বিনিয়োগ করে দিয়েছিলেন পাবলিক প্রভিডেন্ট ফান্ডে (Public Provident Fund)। 2006 সালের মার্চ মাসে এই সরকারি প্রকল্পে টাকা রেখেছিলেন তিনি। এছাড়াও 2009 সালের জুন মাস থেকে NPS বা ন্যাশনাল পেনশন স্কিমে বিনিয়োগ শুরু করেন, বর্তমানে এই দুই সরকারি প্রকল্পই তাঁর মূল অর্থনৈতিক ভিত।
আরও পড়ুন: হায় কপাল! পাকিস্তানকে ৫৫ রানে ধসিয়ে দিল ভারত, টিম ইন্ডিয়ার লক্ষ্য ৫৬
না বললেই নয়, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে নরেশ বাবুর PPF তহবিলে প্রায় 80 লাখ টাকা এবং ন্যাশনাল পেনশন স্কিমে 1 কোটি 10 লাখ টাকা রয়েছে। তাঁর লক্ষ্য 2031 সালের মধ্যে PPF এ 1 কোটি টাকারও বেশি ও NPS এ 2 কোটি 15 লাখ টাকা বিনিয়োগ করতে করা। অবসরের পর দুই প্রকল্প মিলিয়ে মোট 3 কোটি বা তারও বেশি টাকার আর্থিক তহবিল গড়ে তুলতে পারবেন তিনি। এখানেই শেষ নয়, শুধুমাত্র এই দুই প্রকল্পের দরুণ অবসরের পর থেকে তিনি মাসিক 1 লাখ টাকার কাছাকাছি পেনশনও পাবেন। নরেশ বাবুর দাবি, শেয়ারবাজারের ঝুঁকি না নিয়ে এই ধরনের বিনিয়োগকেই তিনি নিরাপদ বলে মনে করেন।










