সহেলি মিত্র, কলকাতা: আপনিও কি কাশ্মীর ঘুরতে যেতে চাইছেন অথচ বাজেট নেই? তাহলে চিন্তা নেই। কারণ বাংলাতেই আপনাদের এমন এক জায়গার সন্ধান দেবো যেখানে গেলে আপনার মনে হবে যেন এক টুকরো কাশ্মীরে চলে এসেছেন। সবথেকে বড় কথা, মাত্র ৫ টাকা খরচ করে এবং ট্রেনে করে আপনি সেখানে পৌঁছে যেতে সক্ষম হবেন! নিশ্চয়ই ভাবছেন কোন জায়গা নিয়ে কথা হচ্ছে? আজ যে জায়গাটি সম্পর্কে আপনাদের তথ্য দেব সেটির নাম হল ‘চন্দ্রকেতুগড় (Chandraketugarh)।’
মাত্র ৫ টাকার বিনিময়ে ঘুরে আসুন ‘মিনি পহেলগাঁও’
চন্দ্রকেতুগড়…একটি ঐতিহাসিক জায়গা। অনেকে আবার এই জায়গাটিকে কাশ্মীরের পহেলগাঁও-এর সঙ্গেও তুলনা করেছেন। এখানে রয়েছে কাশ্মীরের মতো কিছুটা ল্যান্ডস্কেপ যা অনেকের মনে ধরেছে। রয়েছে গাছ, উঁচু নিচু ঘাস ইত্যাদি। তবে অবশ্য কেউ যদি এখানে ঘুরতে যান তাহলে সেটা তাঁর ভালো নাও লাগতে পারে। তবে কেউ যদি রিল ভিডিও বানাতে চায় সেক্ষেত্রে জায়গাটি একদম আদর্শ হবে। বেড়াচাঁপাতে রয়েছে জায়গাটি।
কী কী দেখবেন?
চন্দ্রকেতুগড় হল একটি ২৩০০ বছরের পুরানো প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান যা বিদ্যাধরী নদীর কাছে অবস্থিত। জানলে অবাক হবেন। একসময় এটি আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল। কিছু ঐতিহাসিকদের মতে, চন্দ্রকেতুগড় স্থান এবং আশেপাশের এলাকাটি প্রাচীন গ্রীক এবং রোমান লেখকদের কাছে গঙ্গা নদীর নামে পরিচিত। এখানে পীর গোরাচাঁদ নামে একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদ রয়েছে। এখানে রয়েছে একটি পুরনো মিউজিয়াম। এছাড়া রয়েছে খনা মেহেরের ঢিপি। এটি একটি প্রত্নস্থল। দেখলে অবাক হয়ে যাবেন।
আরও পড়ুনঃ অনলাইনে ট্রেনের টিকেট কাটলেও লাগবে অতিরিক্ত চার্জ? জানুন নিয়ম
কীভাবে যাবেন?
নিশ্চয়ই ভাবছেন এই চন্দ্রকেতুগড়ে কীভাবে যাবেন? সেক্ষেত্রে আগে আপনাকে শিয়ালদা স্টেশন থেকে হাসনাবাদ লোকাল ট্রেনে করে হাড়োয়া স্টেশনে পৌঁছাতে হবে। এরপর স্টেশন থেকে নেমেই আপনি সামনে অটো বা টোটো স্ট্যান্ড পেয়ে যাবেন। এরপর সেখানে গিয়ে জায়গার নাম বললেই আপনাকে টোটো বা অটো পৌঁছে দেবে চন্দ্রকেতুগড়ে।









