বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: দল গড়ার অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বড় ভাঙন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নব্য তৃণমূলে (Trinamool Congress)। মোহ ভঙ্গ হওয়ায় ঋত শিবির ছেড়ে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গী হলেন আমডাঙ্গা বিধানসভার বিধায়ক মোহাম্মদ কাসেম সিদ্দিকী। কয়েক সপ্তাহ আগেও অবশ্য তিনি দাবি করেছিলেন, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে নন বরং এখনও মমতার সাথেই রয়েছেন তিনি। সোমবার আনুষ্ঠানিকভাবে কালীঘাট তৃণমূলে (Kalighat Trinamool) ফিরে এলেন কাসেম। আর তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, এবার কি তাহলে ভাঙন শুরু হয়ে গেল ঋত শিবিরে?
শেষের শুরু নব্য তৃণমূলের?
2026 সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে কাসেমের উপর ভরসা করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রাক্তন বিধায়ককে সরিয়ে তাঁকেই ভোটে লড়ার টিকিট দিয়েছিল তৃণমূল। সেই মতোই, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবিকে সামনে রেখে মানুষের বিচারে আমডাঙ্গা থেকে জিতেছিলেন কাসেম সিদ্দিকী। তবে রাজ্যে পালাবদলের পর শোনা গিয়েছিল, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ছেড়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলে নাম লিখিয়েছিলেন কাসেম। যদিও মাঝে তাঁকে এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি জানিয়েছিলেন অন্য কোনও শিবিরে নয় বরং এখনও মমতাপন্থীই রয়েছেন তিনি।
সোমবার, আমডাঙার বিধায়কের ঘরবাপসি কি নতুন কোনও সমীকরণের জন্ম দিচ্ছে? প্রশ্ন তুলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশ। এদিন, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল ছেড়ে আদি অর্থাৎ কালীঘাট তৃণমূলে ফিরতেই আমডাঙার বিধায়ক একেবারে পরিষ্কারভাবে জানিয়ে দিলেন, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গেই রয়েছেন। আগামীতেও তাঁর সাথেই থাকবেন। বলাই বাহুল্য, কিছুদিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার প্রতিবাদে কালীঘাট তৃণমূলের সাথে পথে নেমেছিলেন ঋতব্রত তৃণমূলের তিনজন বিধায়ক।
আরও পড়ুন: সরে যাওয়ার নির্দেশ দেন অগ্নিমিত্রা, দুধ গরম কাণ্ডে অসহায় পরিবারের দায়িত্ব নিচ্ছেন মমতা
উল্লেখ্য, আমডাঙার বিধায়ক নব্য তৃণমূল ছেড়ে ফের কালীঘাট তৃণমূলে চলে আসতেই বড় দাবি করে বসলেন তৃণমূল কংগ্রেসের বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। তাঁর দাবি, ভুল বুঝিয়ে ঋতব্রত শিবিরে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল কাসেমকে। রাজ্যে তৃণমূলের টিকিটে জয়ী সংখ্যাগরিষ্ঠ বিধায়ক কালীঘাট তৃণমূলেই আছেন।










