সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দিল্লির (Delhi) বিজেপি বিধায়কের এক অমানবিক আচরণের ঘটনা ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়। উত্তর-পশ্চিম দিল্লির কাঞ্ঝাওয়ালা এলাকায় এক বিজেপি দলিত মণ্ডল সভাপতিকে দলীয় কার্যালয়ে ডেকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল দলেরই এক বিধায়কের বিরুদ্ধে। ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে দলের অন্দরমহলে। এমনকি সোশ্যাল মিডিয়ায় নির্যাতিত নেতার আঘাতের বেশ কয়েকটি ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে, যা দেখে রীতিমতো শিউড়ে উঠছে আমজনতা।
দলীয় কর্মীকেই মারধর বিধায়কের
সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আক্রান্ত ওই নেতার নাম সুনীল কুমার। তিনি তপশিলি জাতিভুক্ত বাল্মিকী সম্প্রদায়ের একজন মানুষ এবং কাঞ্ঝাওয়ালা এলাকার বিজেপির দলিত মণ্ডলের সভাপতি। অভিযোগ, গত বৃহস্পতিবার বৈঠকের নাম করে বিজেপি বিধায়ক গজেন্দ্র দারাল তাঁকে দলীয় কার্যালয়ে ডেকে পাঠিয়েছিলেন। তবে সুনীল সেখানে পৌছলে তাঁকে সারারাত আটকে রাখা হয়। এমনকি অকথ্য ভাষায় গালিগালাজের পাশাপাশি তাঁর উপর শারীরিক অত্যাচার চালানো হয়। তাঁর অভিযোগ, বিধায়ক গজেন্দ্র দারালের নির্দেশেই তাঁর দলবল এই পাশবিক হামলা চালিয়েছে।
এদিকে মারধরের আগে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে কার্যালয়ের সিসিটিভিগুলিকে বন্ধ করে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ তুলেছেন তিনি। তারপর পাইপ, মোটা লাঠি এবং বেল্ট দিয়ে তাঁকে নির্মমভাবে পেটানো হয়েছে। কিন্তু কী কারণে তাঁকে মারা হল সে বিষয়ে কোনও নির্দিষ্ট তথ্য সামনে আসেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ফটোগুলিতে দেখা যাচ্ছে, মারধরের জেরে তাঁর শরীরের পিছনে অংশে একেবারে কালশিটে পড়ে রক্তবর্ণ ধারণ করেছে।
कंझावला ,दिल्ली
भाजपा मंडल अध्यक्ष सुनील को मंडला भाजपा विधायक गजेंद्र दराल ने बुलाकर
इतना पीटा कि उनको लाल नीला कर दियाधमकी में दी जा रही है समझौता कर लो
वरना अंजाम इससे बुरा होगाये हाल है वाल्मीकि समाज का भाजपा में pic.twitter.com/SEc3kDWAIj
— Atul Londhe Patil (INDIA Ka Parivar)🇮🇳 (@atullondhe) September 12, 2026
আরও পড়ুন: ৫০ হাজার কোটি টাকা বকেয়া রেখেছে মমতার সরকার, এবার সরব ঠিকাদাররা
এই ভয়াবহ ঘটনার পর সুনীল কুমার পুলিশের কাছে একটি বিস্তারিত লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ঘটনার পর তাঁর শারীরিক পরীক্ষার ক্ষেত্রেও বিভিন্নরকম বাধা সৃষ্টি করা হয়। সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, “প্রায় ১২ জন লোক মিলে আমাকে মারধর করেছে। তাঁদের মধ্যে খোদ বিজেপি বিধায়ক গজেন্দ্র সিং দারাল উপস্থিত ছিলেন। এই গোটা ঘটনায় আমি শারীরিক এবং মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। আমাকে ক্রমাগত খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমার প্রাণ সংশয়ে রয়েছে।” যদিও পুলিশ এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় এফআইআর দায়ের করেনি বলে খবর। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন সাধারণ মানুষ। প্রত্যেকের দাবি, ওই বিজেপি বিধায়ককে অবিলম্বে সাসপেন্ড করা হোক এবং দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক।










