হস্তক্ষেপই নয়, বিলবোর্ড কাণ্ডে সুপ্রিম কোর্টে ফের ঝটকা খেল কালীঘাট তৃণমূল

Published:

Kalighat Trinamool

সৌভিক মুখার্জী, কালীঘাট: ফের সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খেল কালীঘাট তৃণমূল (Kalighat Trinamool)। ক্যামাক স্ট্রিটের বিলবোর্ড কাণ্ডে এবার কালীঘাট তৃণমূলের আবেদন ফিরিয়ে দিল সর্বোচ্চ আদালত। এদিন এই মামলায় হস্তক্ষেপ করেনি সুপ্রিম কোর্ট। এর আগে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্ধ্যোপাধ্যায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হলে সেখানে বিচারপতি জানিয়েছিলেন, যেহেতু ইতিমধ্যেই বিলবোর্ড খোলা হয়েছে, তাই এই মামলায় হস্তক্ষেপ করা সম্ভব নয়। সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করেই সর্বোচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল। সেখানেই খেতে হল ঝটকা!

সুপ্রিম কোর্টে ফের ধাক্কা কালীঘাট তৃণমূলের

কিছুদিন আগে পুরসভার আধিকারিকরা পুলিশ বাহিনী নিয়ে গিয়ে ক্যামাক স্ট্রিটের পার্টি অফিসের বিলবোর্ডটি জোরপূর্বক খুলে দেয় বলেই অভিযোগ করেন তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথমে অভিষেকের সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হলেও রক্ষা পায়নি বিলবোর্ড। তা নিয়ে প্রথমে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সাংসদ। সেই মামলায় হাইকোর্ট হস্তক্ষেপ করেনি। বিচারপতি রাজা বসু চৌধুরীর বেঞ্চ জানিয়ে দেয়, যেহেতু ইতিমধ্যেই বিলবোর্ড খোলা হয়েছে, তাই এই মামলা অপ্রাসঙ্গিক। এখানে হস্তক্ষেপ করা সম্ভব নয়। তবে সেই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হলে আজ সর্বোচ্চ আদালতও সেই একই সিদ্ধান্ত নিল।

এদিন আদালত কালীঘাট তৃণমূলের মামলায় হস্তক্ষেপই করেনি। এমনকি সুপ্রিম কোর্ট প্রাথমিক পর্যায়ে ওই মামলা আবারও কলকাতা হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে ফেরত পাঠিয়েছে। রাজ্যের উচ্চ আদালতের বিচারপতিরা এই মামলা খতিয়ে দেখবেন বলেই জানানো হয়েছে। যদিও তৃণমূলের তরফ থেকে মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির দাবি জানানো হয়। তবে সুপ্রিম কোর্টের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আইনজীবীদের সমস্ত মতামত হাইকোর্টেই পেশ করতে হবে।

আরও পড়ুন: সরকারি বিজ্ঞাপনে মা দুর্গার ১১টি হাত, রাজ্য সরকারকে তুলোধোনা তৃণমূল, CPIM-র

কালীঘাট তৃণমূলের তরফে দাবি ছিল, ভবিষ্যতে যাতে তাদেরকে না জানিয়ে কোনও বিল্ডিং বা সাইনবোর্ড ভাঙা কিংবা সরানো না হয়, সেই নির্দেশ হাইকোর্টের তরফ থেকে দেওয়া হোক। পাশাপাশি সাইনবোর্ড যেন আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা হয়, সেই দাবিও জানানো হয়। তবে হাইকোর্ট সেই দাবিগুলি খারিজ করে মামলায় কোনওরকম হস্তক্ষেপ করেনি। তবে আজও সর্বোচ্চ আদালতেও মিলল না সমাধান। এখন দেখার, হাইকোর্ট এ বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়।