“তৃণমূলের অত্যাচার মানুষ ভোলেনি” NCPI সাংসদদের বিজেপিতে যোগদানের পাল্টা শমীক

Published:

Samik Bhattacharya

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: তৃণমূলের দলত্যাগী ২০ জন সাংসদ খুব শীঘ্রই বিজেপিতে যোগদান করছেন, এমনটাই জানিয়েছিলেন সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। এমনকি বিজেপির নেতৃত্বদের সঙ্গে এ নিয়ে আলোচনা চলছে বলেও দাবি করেন তিনি। তবে এবার তাঁর দাবি উড়িয়ে বড় মন্তব্য করলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য (Samik Bhattacharya)। বিজেপি কর্মীদের উপর তৃণমূলের করা অত্যাচারের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে শমীক জানান, “তাঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন সেটা হয়ত মঙ্গল গ্রহের বিজেপি।

বিজেপিতে যোগদান নিয়ে চরম কটাক্ষ শমীক ভট্টাচর্যের

আসলে এদিন কোচবিহারের তৃণমূলত্যাগী সাংসদ জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া মিডিয়ার সামনে জানান, তৃণমূল ছেড়ে এনসিপিআই-তে যোগ দেওয়া ২০ জন সাংসদের মধ্যে ১৭ জন পুজোর আগে কিংবা পুজোর পরপরই সরাসরি বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন। শুধুমাত্র তিনজন সাংসদ বিজেপিতে যোগ দিতে অস্বীকার করেছেন। মুর্শিদাবাদের ওই তিনজন হলেন খলিলুর রহমান, আবু তাহের খান এবং ইউসুফ পাঠান। এমনকি এ নিয়ে বিজেপির নেতৃত্বদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে বলেও জানান জগদীশ। তবে এবার তাঁর পাল্টা সুর চড়ালেন শমীক ভট্টাচার্য।

এদিন বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, “এই মুহূর্তে কেউ তৃণমূল থেকে বিজেপিতে যোগ দিচ্ছ না। অদূর ভবিষ্যতেও তা হবে না। মানুষ তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। তৃণমূলের অত্যাচার এখনও পর্যন্ত মানুষ ভোলেনি। এখন কিছু সাংসদ মিলে একটা নতুন দল তৈরি করেছে। তাঁরা আবার এনডিএকে সমর্থন করছে। আমরা স্বাগত জানাই। কিন্তু কেউ বিজেপিতে আসছে না। উনি ইচ্ছা প্রকাশ করতে পারেন। তবে বিজেপি এখানে নেবে কিনা সেটা বিজেপির ব্যাপার। ২০২১ সালের ২ মে-র পর ২৭ দিনে ৫৬ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করেছে। ২০০ জন বিজেপি মহিলা কর্মীকে গণধর্ষণ করেছে। তাঁরা যে বিজেপিতে যোগদান করতে চাইছেন সেটা হয়ত মঙ্গল গ্রহের বিজেপি।”

আরও পড়ুন: অর্ধেক সময়ে দিল্লি, ঘণ্টায় ১৬০ কিমিতে ছুটবে ট্রেন! ‘মিশন রফতার’ নিয়ে বিরাট সুখবর

প্রসঙ্গত, দলত্যাগ বিরোধী আইনের জটিলতা এড়াতেই এই ২০ জন সাংসদ বিজেপিতে যোগদান করতে চলেছে বলেই জানিয়েছেন জগদীশ চন্দ্র বর্মা বসুনিয়া। তিনি জানিয়েছিলেন, “প্রথমে এনসিপিআই নামক দলের সঙ্গে আমাদেরকে যুক্ত করে। আমরা বিজেপিতে যেতে চেয়েছিলাম। বিজেপি আমাদের এনসিপিআই-তে নিয়ে গিয়েছে। যাতে আমরা দলত্যাগ বিরোধী আইনে না পড়ি, তিনজন সমস্যার মধ্যে না পড়েন, সেই জন্যই এটা করা হয়।”