প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: সন্ধ্যে হলেই মনের সঙ্গে সঙ্গে পেটও কেমন যেন আনচান করে ওঠে খাবারের জন্য। একটু মচমচে, একটু ঝাল ঝাল কিছু খাবার না হলে সন্ধ্যের (Evening Snacks Recipe) আড্ডাটা যেন ঠিক জমতে চায় না। এদিকে রোজ রোজ বাইরের খাবার খাওয়াও স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো নয়, অগত্যা নিজের বাড়ির হেঁসেল ছাড়া কোন গতি নেই, তাই আমাদের আজকের প্রতিবেদন নিয়ে এসেছে দুর্দান্ত স্নাক্সের রেসিপি, আর সেটি হল ডাল চিংড়ির বড়া (Dal Chingrir Bora)।
উপকরণ
ডাল চিংড়ির বড়া বানানোর জন্য যে যে উপকরণ গুলো লাগবে সেগুলি হল- মুসুর ডাল, চিংড়ি মাছ, পেঁয়াজ কুচি, কাঁচা লঙ্কা কুচি, রসুন কুচি, নুন, হলুদ, শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো, সুজি, বেসন, ধনেপাতা, সাদা তেল।
রান্নার পদ্ধতি
ঘরে সবজি না থাকলেও বাঙালি হেঁসেলে মসুর ডাল দিয়ে হরেক রকমের পদ রান্না করা যায়। সিদ্ধ থেকে কোফতা কোনোটাই বাদ যায় না। তার সঙ্গে যদি চিংড়ি যুক্ত হয়, তাহলে তো কোন কথাই নেই। তাহলে চলুন আজকে ঝটপট করে শিখে নেওয়া যাক কীভাবে ডাল চিংড়ির বড়া বানাতে হয়।
- প্রথমে মসুর ডালগুলো ভালো করে জল দিয়ে ধুয়ে অন্তত দু’ঘণ্টা মত পরিষ্কার জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। অন্যদিকে চিংড়ি মাছগুলো ভালো করে খোসা ছাড়িয়ে জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। ধোয়ার সময় মনে করে চিংড়ি মাছের গায়ে যে কালো সুতোর মতো অংশটা রয়েছে সেটাকে ফেলে দিতে হবে।
- চিংড়ি মাছগুলোকে ছোট ছোট সাইজ করে কেটে নিতে হবে। এরপর ধুয়ে রাখা মুসুর ডালগুলো ভালো করে জল ঝরিয়ে শুকনো করে নিতে হবে। এরপর একটি ব্লেন্ডারের শুকনো করে রাখা মুসুর ডাল এবং ছোট ছোট করে কেটে রাখা চিংড়ি মাছ গুলোকে ভালো করে বেটে নিতে হবে। খেয়াল রাখবেন খুব বেশি যেন মিহি করে বাটা না হয়ে যায়।
আরও পড়ুন: এভাবে বানিয়ে ফেলুন মেথি মালাই পনির, থাকবে না তেঁতো ভাব
- এরপর একটি বাটিতে মিশ্রণটা পুরোটা ঢেলে ওর মধ্যে কুচোনো পেঁয়াজ, ঝাল অনুযায়ী কাঁচা লঙ্কা, সামান্য রসুন কুচি দিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে। এরপর মসলা হিসেবে দিয়ে দিতে হবে সামান্য নুন, হলুদ গুঁড়ো, শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো। সম্পূর্ণটা ভালো করে মিশিয়ে নেওয়ার পর দিয়ে দিতে হবে পরিমাণ মতো বেসন এবং সুজি।
- সুজিটা মূলত বড়া গুলো মচমচে করার জন্য ব্যবহার করা হয়, সেক্ষেত্রে সুজির পরিবর্তে চালের গুঁড়োও মেশানো যাবে। সম্পূর্ণটা সামান্য জল দিয়ে ভালো করে মেখে নিতে হবে। এরপর একটি প্যানে সামান্য সাদা তেল গরম করে নিতে হবে।
- তেল গরম হয়ে এলে ওর মধ্যে ছোট ছোট আকারে পড়া গুলো এক এক করে ভেজে নিতে হবে। এপিঠ ওপিঠ যতক্ষণ না লাল হচ্ছে ততক্ষণ ভেজে নিতে হবে। এরপর সে গুলোকে আলাদা পাত্রে তুলে সামান্য সস দিয়ে খেয়ে নেবেন, ব্যাস, তাহলেই তৈরি ডাল চিংড়ির বড়া (Dal Chingrir Bora)।










