এডমুন্ডের হ্যাটট্রিক, হাফ টাইমের আগেই মোহনবাগানকে ৪-১ ব্যবধানে পেছনে ফেলল ইস্টবেঙ্গল

Published:

বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মর্যাদার ডার্বি (Kolkata Derby)। ডুরান্ড কাপের (Durand Cup) শুরুটা যেহেতু ধাক্কা খেয়ে করতে হয়েছিল, তাই ফাইনালের ডার্বিটা ইস্টবেঙ্গলের (East Bengal FC)  কাছে অত্যন্ত সম্মানের। সেই মতোই, মান রক্ষার লড়াইয়ে নেমে মোহনবাগানকে একেবারে ডুবিয়ে দিল মশাল সেনা (East Bengal Vs Mohun Bagan Live Match)। এডমুন্ড লালরিন্দিকার হ্যাটট্রিকে বেহাল দশা গঙ্গা পারের দলের। ফাইনালের মঞ্চে, ম্যাচের একেবারে শুরুতেই মোহনবাগানের যে এত করুণ দশা করবে ইস্টবেঙ্গল, সেটা বোধহয় কল্পনাও করতে পারেননি বাগান ভক্তরা। প্রতিবেদনটি লেখার আগে পর্যন্ত ম্যাচের ব্যবধান ছিল, ইস্টবেঙ্গল 4 এবং মোহনবাগান 1।

বাগানকে ডুবিয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল!

রবিবার, নির্ধারিত সময়ে শুরু হয়েছিল 135 তম ডুরান্ড কাপের ফাইনাল ম্যাচ। যুবভারতীর মাঠ তখন ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান ভক্তে ঠাসা। একদিকে উঠছে, জয় ইস্টবেঙ্গল ধ্বনি। অন্যদিকে বাগান ভক্তরা চেঁচাচ্ছে জয় মোহনবাগান বলে। আর এসবের মধ্যে দিয়েই খেলা যখন কিছুটা গড়িয়ে গেল 10 মিনিটের মাথায় মহম্মদ রশিদের পাস থেকে গোল করে মোহনবাগানকে প্রথম ধাক্কাটা দেন বিপিন সিং। এখানেই থেমেছিল না ইস্টবেঙ্গল।

প্রথম গোলের এক মিনিটের মধ্যেই 11 মিনিটের মাথায় দ্বিতীয় গোল করে ইস্টবেঙ্গল। এই গোলটা এসেছিল এডমুন্ডের পা থেকে। ম্যাচের শুরুতেই জোড়া গোল করে তীব্র আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে যায় লাল হলুদ। এই ঘটনার কিছুক্ষণের মধ্যেই ফের আরেকটা গোল করে ব্যবধান বাড়ান এডমুন্ড। মোহনবাগানকে নাকানি চোবানি খাইয়ে একেবারে 3-0 গোলে এগিয়ে যায় মশাল সেনা। যদিও পরবর্তীতে মনবীর সিংয়ের চেষ্টায় ব্যবধান কমিয়ে আনে মোহনবাগান।

আরও পড়ুন: কীভাবে খেলতে হয়, সেঞ্চুরি করে বৈভবকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখালেন বাংলার সুদীপ

বাগানের তরফে মনবীর গোল করতেই খিদে যেন আরও বেড়ে যায় ইস্টবেঙ্গলের। সেই সূত্র ধরেই 44 মিনিটের মাথায় রশিদের ফ্রি-কিক থেকে জয় গুপ্তার সেন্টার ধরে সোজা গোল করেন এডমুন্ড। আর তাতেই ডার্বিতে হ্যাটট্রিক করে ফেলেন এই ভারতীয় তারকা। সেই সূত্রেই বাইচুং ভুটিয়াদের সাথে এলিট গ্রুপে প্রবেশ করে গিয়েছেন তিনি। কলকাতা ডার্বিতে গোল করা ভারতের ষষ্ঠ ফুটবলার হয়ে উঠেছেন ইস্টবেঙ্গল তারকা তথা মিজো ফুটবলার। ম্যাচের এ পর্যন্ত বাগানের উপর চাপ বজায় রেখে জয়ের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল লাল হলুদ।