বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: মাথার ছাদ হারিয়েছেন লিওনেল মেসি (Lionel Messi)। শুক্রবার রাতে, আর্জেন্টিনায় (Argentina) নিজ শহর রোজারির একটি স্থানীয় ক্লিনিকে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন আর্জেন্টাইন ফুটবলার লিওর বাবা। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল 68 বছর। বাবার মৃত্যুতে একপ্রকার শোকের আকাশ ভেঙে পড়েছে আর্জেন্টিনার অধিনায়কের মাথায়! মেসির পিতৃবিদায়ে ইতিমধ্যেই শোক প্রকাশ করেছেন আর্জেন্টিনার বহু তাবড় তাবড় ফুটবলার। শোক প্রকাশ করেছেন নেট নাগরিকরাও। এদিকে বাবার মৃত্যুর পর তাঁকে নিয়ে বড় তথ্য ফাঁস করলেন মেসি।
অতীত স্মরণ করলেন মেসি
ফুটবল বিশ্বকাপ শেষ হতে না হতেই বাবাকে হারিয়েছেন মেসি। আর অভিভাবক হারানোর যন্ত্রণা কতটা সেটা বুঝতে পারছেন লিও। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর শেষ পর্যন্ত মৃত্যুবরণ করেছেন হোর্হে মেসি। একেবারে ছোটবেলায় আর্জেন্টিনা থেকে স্পেনে পাড়ি দিয়েছিলেন মেসি। যোগ দিয়েছিলেন বার্সেলোনার অ্যাকাডেমিতে। এক কথায় আর্জেন্টিনা জন্ম হলেও ফুটবলার মেসির জন্ম হয়েছিল স্পেনেই।
ছোট থেকে ফুটবল নিয়ে ব্যস্ততার কারণে বাবার সাথে সেভাবে দেখা হতো না মেসির। মাঝেমধ্যে যখন বাড়িতে ফিরতেন মা বাবার সাথে ভাল সময় কাটাতেন আর্জেন্টিনার ফুটবলার। এবার সেই সব নিয়েই আবেগতাড়িত হয়ে পুরনো স্মৃতি ভাগ করে নিলেন লিও। মেসি বললেন, “আমি যখন প্রথমবার বার্সেলোনায় এসেছিলাম, একা একা কাঁদবো বলে নিজেকে একটা ঘরের মধ্যে আটকে রাখতাম। বাবাও একই কাজ করতো। হয় আমি তাঁকে দেখতে পেতাম না বা সে ভাবতো আমি তাঁকে দেখিনি।”
অবশ্যই পড়ুন: এগিয়ে আসছে পুজো, শুধুমাত্র এই কমিটিগুলিকেই অনুদান দিতে পারে রাজ্য সরকার
বাবার চলে যাওয়ার পর অতীত স্মরণ করতে গিয়ে মেসি বললেন, “ওনার অনেক স্বভাব আমি পেয়েছি। তবে বাবা সারাদিন কাজ করতেন বলে সেভাবে খুব বেশি একটা একসাথে সময় কাটাতে পারতাম না। বাবা ভোর চারটের সময় উঠে কাজে চলে যেতেন আর ফিরতেন রাতের খাবারের সময়। প্রায় প্রতিদিনই এমনটা হতো। তাই একে অপরের সাথে খুব একটা দেখা হতো না আমাদের। তবে যখনই দেখা হতো আমরা সেই সময়টা উপভোগ করতাম। উনি কখনও আমার সাথে চিৎকার করে কথা বলেননি।”










