বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: লজ্জা লজ্জা লজ্জা! তিন লজ্জায় নাম লেখাল ময়দান প্রধান মোহনবাগান (Mohun Bagan Super Giant)। কাস্টমসের কাছে হারের পর ঘুরে দাঁড়ানোর আপ্রাণ চেষ্টা করেছিল মোহনবাগান। তবে শেষ পর্যন্ত ভবানীপুর সেই পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াল। শুক্রবার, ঘরোয়া লিগে শহরের এই প্রতিদ্বন্দ্বীর বিরুদ্ধে মাঠে নেমেছিল সবুজ মেরুন। তবে ম্যাচ শেষ হল একরাশ হতাশা নিয়ে। ভবানীপুরের মতো দলের কাছে 1-2 ব্যবধানে পরাজয় স্বীকার করে নিতে হল বাগান ব্রিগেডকে।
সুপার সিক্সের অঙ্ক কঠিন হল মোহনবাগানের
শুক্রবারের ম্যাচে একেবারে শুরু থেকেই দাপট দেখাতে থাকে ভবানীপুর। মোহনবাগানের মতো কঠিন দলকে একেবারে চেপে ধরে নিজেদের সাফল্য হাসিল করে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে গিয়েছিল তারা। শেষ পর্যন্ত সেই চেষ্টায় ধরা দিয়েছিল সাফল্যও। ম্যাচের প্রথম 8 মিনিট থেকেই গোলের সুযোগ তৈরি করার চেষ্টা করে গিয়েছিল মোহনবাগানের প্রতিপক্ষ। তাতে ব্যর্থ হয়েও ফের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছে ভবানীপুর। আর এই লড়াইয়ে 80 মিনিটের মাথায় আসে সাফল্য।
খেলা 80 মিনিটে পৌঁছে যেতেই মোহনবাগানের দুই ডিফেন্ডারকে পরাস্ত করে গোল হাসিল করে নেন ভবানীপুরের সাহিল হরিজন। ছোট দলের কাছে গোল খাওয়ার পর একেবারে হন্যে হয়ে তা শোধ দেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করে গিয়েছিল সবুজ মেরুন। 86 মিনিটের মাথায় ভবানীপুরের রক্ষণের ভুলকে কাজে লাগিয়ে সেই গোল শোধ করে ম্যাচে সমতাও ফিরিয়েছিল বাগান। তাতে ঠোঁটের কোণে হাসি ফুটে গিয়েছিল বাগান সমর্থকদের। তবে সেই হাসি চিরস্থায়ী হল না।
অবশ্যই পড়ুন: পরের ম্যাচে প্রতিপক্ষ CISF, মোহনবাগানের হয়ে মাঠে নেমে পড়লেন মিগুয়েল, ম্যাকলারেন
শুক্রবার, মোহনবাগানের প্রথম গোলের ঠিক দুই মিনিট পরই একেবারে আক্রমণাত্মক হয়ে নিজেদের দ্বিতীয় গোলটি করে দেয় ভবানীপুর ব্রিগেড। বাগানের দুর্বল রক্ষণকে কাজে লাগিয়ে জালের উদ্দেশ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ে ভবানীপুরের ফুটবলাররা। এক দূরপাল্লার শটে মোহনবাগান গোলরক্ষককে পরাস্ত করে নিজেদের দ্বিতীয় গোল হাসিল করে নেন রবি হাঁসদা। আর তাতেই ভাগ্য লিখে নিয়েছিলাম ভবানীপুর। পরপর দুই ম্যাচে হেরে সুপার সিক্স এ ওঠার অংক কঠিন হয়ে গেল মোহনবাগানের।










