ফের CID তদন্তের মুখে অভিষেক, ডিজে মন্তব্যের জেরে ভবানী ভবনে তলব

Published:

Abhishek Banerjee

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফের সাঁড়াশি চাপে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)! এবার ডিজে মন্তব্য মামলায় ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। রবিবার তাঁকে CID ডেকেছিল বিধানসভায় সই জাল কাণ্ডের তদন্তে। কিন্তু এ বার ডাকা হল নির্বাচনে প্রচারের সময় ‘ডিজে’ মন্তব্যের জেরে। জানা গিয়েছে, অভিষেককে দুপুর ১২টায় ভবানী ভবনে আসতে বলা হয়েছিল। কিন্তু তিনি নির্ধারিত সময়ের ৩ মিনিট আগেই সেখানে পৌঁছন।

ভবানী ভবনে হাজির অভিষেক

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারে বিজেপিকে প্রকাশ্যে হুঁশিয়ারি দিয়ে ডিজে বাজানো মন্তব্যের জেরে আজ, মঙ্গলবার ভবানী ভবনে হাজিরা দিতে গেলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সকাল ১১টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বাড়ি থেকে রওনা দেন তিনি। দুপুর ১২টায় তাঁর হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। নির্ধারিত সময়ের ৩ মিনিট আগেই ভবানী ভবনে প্রবেশ করেন অভিষেক। এর পরে ভিজিটর্স বুকে সই করে ভিতরে চলে যান তিনি। তবে এদিন ভবানী ভবনের ভিতরে প্রবেশের সময়ে অভিষেকের সঙ্গে অন্য কাউকে দেখা যায়নি। এখনও চলছে জিজ্ঞাসাবাদ। তাঁর বয়ান রেকর্ড করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

‘ডিজে’ বাজানো মন্তব্য নিয়ে মামলা

উল্লেখ্য, বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারপর্বে অভিষেক ‘ডিজে’ বাজানো নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন। ভোটের ফলাফল বেরোনোর পড়ে পরবর্তী পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেছিলেন, “ডিজে তো বাজবেই, এমন জোরে বাজবে কান ঝালাপালা করে দেব!” আর অভিষেকের এমন মন্তব্য ঘিরে পরবর্তী সময়ে সল্টলেকে সাইবার অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। আর সেই মামলার ভিত্তিতেই গত শুক্রবারই অভিষেকের কালীঘাটের পটুয়াপাড়ার বাড়িতে গিয়ে নোটিস ধরিয়ে এসেছিল রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। আজ ছিল হাজিরা দেওয়ার দিন। এখন দেখার একাধিক অফিসারের সওয়ালের মুখে পড়ে কোনো বিস্ফারিত তথ্য প্রকাশ্যে আসে।

আরও পড়ুন: তৃণমূল ভাঙনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ বিজেপি সাংসদ রমেশ? প্রকাশ্যে এল বড় তথ্য

এর আগে, গত রবিবার, বিধানসভায় সই জাল মামলার তদন্তে সিআইডি দপ্তরে হাজিরা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি শুধু একা নন, ওইদিন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষকেও ডাকা হয়েছিল। কুণালের দাবি, রবিবার তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। অন্যদিকে গতকাল, সোমবার অভিষেককে নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় ইডি আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয়েছিল। প্রায় ১১ ঘণ্টা ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে। পর পর তিন দিন তিন পৃথক মামলায় অভিষেককে জেরা করা নিয়ে স্বাভাবিকভাবে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়েছে।