বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: রাজ্যে ক্ষমতার হাত বদলের পরই চালু হয়েছে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প (Ayushman Bharat Yojana)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্নের প্রকল্পের সাথে বাংলার মানুষকে জুড়েছেন রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। আর এই কেন্দ্রীয় প্রকল্প চালু হতেই ইতিমধ্যেই তার সুফল পেয়েছেন রাজ্যের বহু মানুষ। প্রায় তিন মাসে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে পশ্চিমবঙ্গের ঠিক কত সংখ্যক মানুষ চিকিৎসা পরিষেবা পেয়েছেন, এবার তারই একটা খতিয়ান তুলে ধরলেন মুখ্যমন্ত্রী।
রাজ্যের কত সংখ্যক মানুষ আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের সুবিধা পেলেন?
নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে মুখ্যমন্ত্রী যে খতিয়ান তুলে ধরেছেন সেই তথ্য অনুযায়ী, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর কেন্দ্রের আয়ুষ্মান ভারত-প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা চালু হওয়ার প্রায় তিন মাসের মধ্যে বাংলার প্রায় 4.2 কোটি মানুষ এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। পাশাপাশি এই প্রকল্পের আওতায় থাকা অন্তত 2.2 লাখ মানুষ ইতিমধ্যেই বিভিন্ন হাসপাতাল এবং স্বাস্থ্য কেন্দ্রে পরিষেবা পেয়েছেন আয়ুষ্মান ভারতের।
মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বিগত কয়েক মাসে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পে রাজ্যের বাসিন্দাদের চিকিৎসার জন্য সরকারের খরচ হয়েছে 355 কোটি টাকারও বেশি। শুধু পশ্চিমবঙ্গ নয়, বরং রাজ্যের বাইরেও বিভিন্ন নার্সিংহোম বা হাসপাতালে এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন বহু মানুষ। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বাংলার 6 হাজারেরও বেশি উপভোক্তা রাজ্যের বাইরের হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা পরিষেবা পেয়েছেন। শুধুমাত্র তাঁদের চিকিৎসার জন্য খরচ হয়েছে 23 কোটি টাকারও বেশি।
গত ১৬ আগস্ট, ২০২৬ পশ্চিমবঙ্গে আয়ুষ্মান ভারত প্রধানমন্ত্রী জন আরোগ্য যোজনা (PM-JAY) চালু হওয়ার পর প্রায় তিন মাস পূর্ণ হতে চলেছে। মাত্র তিন মাসেই রাজ্যের হাজার হাজার পরিবারের কাছে এই প্রকল্পের সুফল পৌঁছেছে।
বিগত আড়াই মাসের পরিষেবার খতিয়ান :-
🔹এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ৪.২ কোটি… pic.twitter.com/w4RXRCHd46
— Suvendu Adhikari (@SuvenduWB) November 4, 2026
আরও পড়ুন: গঙ্গা চুক্তি নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত ভারতের! বাংলাদেশকে নতুন শর্ত দেওয়ার পথে মোদি সরকার
নিজের ওই পোস্টে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, সাধারণ মানুষের কাছে উন্নত স্বাস্থ্য পরিষেবা পৌঁছে দেওয়া এবং প্রয়োজনে পরিবারের চিকিৎসার আর্থিক বোঝা কমানো সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। রাজ্যের সরকারি স্বাস্থ্য পরিকাঠামো আরও উন্নত এবং শক্তিশালী করে তোলার পাশাপাশি চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের সহযোগিতার কথাও উল্লেখ করে এদিন তাঁদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।










