প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ফের যৌন হেনস্থার শিকার হলেন ১০ বছরের এক নাবালিকা, ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে (Duttapukur)। জানা গিয়েছে, টিউশন পড়তে গিয়ে নাবালিকাকে দাদুর যৌন লালসার শিকার (Duttapukur Minor Abuse Case) হতে হয়। এই খবর প্রকাশ্যে আসা মাত্রই ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়েছে এলাকায়। বুধবার রাতেই পরিবারের সদস্যরা থানায় অভিযোগ দায়ের করতেই অভিযুক্তকে তড়িঘড়ি গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
ঠিক কী ঘটেছিল?
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুর থানার অন্তর্গত কদম্বগাছি ফাঁড়ি এলাকায়দূর সম্পর্কের এক দাদুর স্ত্রীর কাছে পড়তে যেত ১০ বছরের এক ছাত্রী। প্রতিদিনের মত গতকাল, বুধবারও সেখানে পড়তে গেলে তাকে যৌন হেনস্তা করে দাদু জাকির আলি। অভিযোগ ছাত্রীর প্যান্ট খুলে যৌনাঙ্গে হাত দেয় অভিযুক্ত। এমনকি মুখ বন্ধ রাখতে নাবালিকাকে প্রাণে মেরে ফেলার এবং পরিবারের ক্ষতি করার হুমকিও দেয় বলে অভিযোগ। এদিকে ভয় পেয়ে বাড়িতে ফিরে এলে মা বাবার কাছে মেয়েটি কান্নাকাটি শুরু করলে সন্দেহ বাড়ে। শেষে ছাত্রীকে অনেক বোঝানোর পর সম্পূর্ণ ঘটনা সে বলে।
গ্রেপ্তার অভিযুক্ত
এদিকে যৌন নির্যাতনের বিষয়টি জানাজানি হতেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হয় নাবালিকার পরিবার। তাঁদের অভিযোগ, এর আগে একাধিকবার নাবালিকাকে চুমু খেয়েছে অভিযুক্ত। এমনকি মুখ বন্ধ রাখতে দিতেন টাকাও। কিন্তু প্রতিদিনের কষ্ট, যন্ত্রণা সহ্য করতে না পেরে সমস্ত কথা খুলে বলেন ছাত্রী। এদিকে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে কদম্বগাছি ফাঁড়ির পুলিশ অভিযুক্তকে আজ বৃহস্পতিবার সকালে গ্রেপ্তার করে। এই ঘটনার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন নাবালিকার পরিবারের সদস্যরা।
আরও পড়ুন: জামালপুরে চরমে বিজেপির গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব, সহ-সভাপতির বাড়িতে হামলা, লুঠপাটের অভিযোগ
কিছুদিন আগেই দত্তপুকুরে সাড়ে তিন বছরের এক শিশুকে যৌন হেনস্থার অভিযোগ উঠে এসেছিল এক চল্লিশোর্ধ্ব ব্যক্তির বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই তাঁকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অভিযোগ, এলাকায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন তিনি। পরে ওই শিশুকে পাশের বাড়ির ছাদে নিয়ে গিয়ে হেনস্থা করেন অভিযুক্ত। পুলিশ সূত্রে দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে অপরাধের কথা স্বীকার করে নিয়েছেন অভিযুক্ত।










