সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলার সাধারণ দরিদ্র মানুষদের জন্য রইল স্বস্তির খবর। এতদিন যারা রেশনে (Ration) নিম্নমানের চাল নিয়ে অভিযোগ করতেন, তাঁদের সমস্যার সমাধানের জন্য বড় উদ্যোগ নেওয়া হল। প্রশাসনের তরফে এবার রেশনে উন্নত মানের চাল (Rice) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন, আর পাথর কিংবা চালে পোকা নিয়ে অভিযোগ করতে হবে না। কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে রাজ্যের ৯টি জেলা রয়েছে যেখানকার রেশন গ্রাহকদের কপাল খুলতে চলেছে।
রেশনে এবার উন্নত মানের চাল দেবে কেন্দ্র
নতুন করে ৯ জেলার মানুষকে যে চাল দেওয়া হবে তাতে ভাঙা চালের অনুপাত অনেকটাই কম থাকবে বলে খবর। আগামী অক্টোবর মাস থেকে খরিফ মরসুম শুরু হচ্ছে। সেই সময় থেকেই এই নয়া অনুপাত কার্যকর করা শুরু হবে বলে খবর। সেদ্ধ চালে ভাঙা চালের অনুপাত ১৬ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ ও আতপ চালে ২৫ শতাংশ থেকে ১০ শতাংশ করা হবে।
সরকার কেন এরকম সিদ্ধান্ত নিল? সেক্ষেত্রে আরও বেশি পরিমাণে ভাঙা চাল ইথানল উৎপাদনে ব্যবহার করা যায় সেজন্য এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এদিকে বাংলায় যাতে বিষয়টি সঠিকভাবে কার্যকর হয় তা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করবে রাজ্য খাদ্য দফতর।
কোন কোন জেলার মানুষ লাভবান হবেন?
এখন প্ৰশ্ন উঠছে, সরকারের নয়া সিদ্ধান্তের কারণে কোন কোন জেলার মানুষ লাভবান হবেন? বাঁকুড়া, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ, মালদহ, দক্ষিণ ও উত্তর দিনাজপুর, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর এবং পুরুলিয়ার মানুষ কেন্দ্রীয় সরকারের জনদরদী প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী গরিব কল্যাণ প্রকল্পের আওতায় এই কাজ করা হবে। সরকারের তরফে রেশন গ্রাহকদের জন্য ৭ লক্ষ ৭ হাজার টন উন্নত চাল উৎপাদন করা হবে। এতে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশ ভাঙা চাল থাকবে। বাকি যে ভাঙা চাল উৎপাদনের সময় বেরবে, তা আলাদা রাখা হবে।
আরও পড়ুনঃ হাওড়াগামী ট্রেনের কামরায় কালাচ সাপ! আতঙ্কে হুড়োহুড়ি যাত্রীদের, প্রশ্নের মুখে রেল
উৎপাদিত চাল ওই জেলাতেই গ্রাহকদের দেওয়া হবে। এই বিষয়ে বড় মন্তব্য করেছেন রাইস মিল মালিকরা। তাঁরা জানিয়েছেন, ধান থেকে চাল উৎপাদনের সময় ১০ শতাংশের বেশি ভাঙা চাল বেরয়। এতদিন সেদ্ধ চালের ক্ষেত্রে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত ভাঙা চাল দেওয়ার নিয়ম ছিল।










