সহেলি মিত্র, কলকাতা: গ্রান্ট ইন এইড কর্মীদের (Grant-in-aid) জন্য রইল জরুরি খবর। বকেয়া মেটানোর বিষয়ে তৎপরতা শুরু করল পশ্চিমবঙ্গ বিজেপি সরকার। রাজ্য অর্থ দফতরের তরফে বিভিন্ন ক্ষেত্রের রাজ্য সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত অর্থাৎ গ্রান্ট-ইন-এড কর্মীদের বকেয়া মহার্ঘ ভাতা ও মহার্ঘ্য ত্রাণ দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশিকা জারি করা হল। ডিএ/ডিআর বকেয়া পরিশোধের প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের অর্থ দপ্তর সংশ্লিষ্ট দফতর গুলিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর (SOP) জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।
বকেয়া মেটানোর নির্দেশিকা জারি রাজ্যের
নির্দেশিকা অনুযায়ী, এপ্রিল ২০০৮ থেকে ডিসেম্বর ২০১৯ পর্যন্ত বকেয়া ডিএ/ডিআর প্রদানের লক্ষ্যে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে SOP জমা পড়লেই পরবর্তী পর্যায়ে বকেয়া ডিএ/ডিআর বিতরণের প্রক্রিয়া এগোবে। এই নির্দেশিকা দীর্ঘদিনের দাবিপূরণের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। সরকারি কোষাগার থেকে সরাসরি স্থায়ী বেতন না-পাওয়া অনুদানপ্রাপ্ত সংস্থার কর্মীদের ‘রোপা ২০০৯’ অনুযায়ী দীর্ঘদিনের বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।
অর্থ দফতর সব সংশ্লিষ্ট দফতরকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে নিজস্ব বেতন পোর্টালে বকেয়ার বিল জমা দেওয়ার জন্য আলাদা অপশন চালুর নির্দেশ দিয়েছে। ইতিমধ্যেই এই সংক্রান্ত একটি নির্দেশিকা সামনে এসেছে। প্রযুক্তিগত প্রস্তুতি শেষ হলেই বকেয়ার বিল জমার পরবর্তী নির্দেশ জারি করা হবে। সময়মতো যদি কাজ সম্পন্ন হয় তাহলে উপকৃত হবেন শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত, পুরসভা, বিধিবদ্ধ বোর্ড, কর্পোরেশন ইত্যাদির কর্মীরা।
কী বলছে শিক্ষক মহল?
সরকারের নির্দেশিকা প্রসঙ্গে বড় তথ্য দিয়েছেন বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির নেতা স্বপন মণ্ডল। তিনি বলেছেন, ‘আমরা নির্বাচনের আগে থেকেই দাবি করছিলাম যে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো আমাদের বকেয়া ডিএ মিটিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু মমতা ব্যানার্জীর সরকার কর্ণপাত করেনি। লোক দেখানো কিছু সরকারি কর্মচারীকে ও অবসরপ্রাপ্ত কর্মীদের সামান্য টাকা দিয়েছিল। সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে শিক্ষক শিক্ষাকর্মী ও গ্র্যান্ট-ইন-এড কর্মীদের চাপ আরও বাড়ে। অবশেষে সরকার নড়েচড়ে বসল। আমরা আশা করব পুজোর আগেই একটা ইনস্টলমেন্ট আমাদের দেওয়া হবে।’










