বকেয়া DA-র হিসাব ‘ভুল’! ফের আন্দোলনে নামছেন কর্মীরা?

Published:

সহেলি মিত্র, কলকাতা: ডিএ (Dearness Allowance) এবং বিতর্ক, একে অপরের পরিপূরক হয়ে উঠেছে। বারবার আলোচনা, আদালতের রায়দানের পরেও মামলা নিয়ে কিছুতেই বেশি খুশি হতে পারছেন না বাংলার কয়েক লক্ষ সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে পেনশন প্রাপকরা। পশ্চিমবঙ্গ সরকার ২০০৮ থেকে ২০১৫-র বকেয়া ডিএ বা মহার্ঘ্য ভাতা মিটিয়ে দেওয়ার ঘোষণা করেছে। তবে এই সময়কালের মধ্যে ডিএ নির্ণয়ের যে হিসেব সামনে এসেছে তা দেখে ফের ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেছে কর্মচারী সমাজ। আর এই নিয়ে নতুন করে লড়াইয়ের হুঁশিয়ারি দিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক এবং ডিএ মামলাকারী ভাস্কর ঘোষ (Bhaskar Ghosh)। চলুন জেনে নিই তিনি কী বলেছেন।

ডিএ নিয়ে ফের আন্দোলনের পথে কর্মীরা?

মঙ্গলবার ভাস্কর ঘোষ নিজের ফেসবুকে একটি তথ্য তুলে ধরেন। AICPI-এর তথ্য সেটি। তিনি লেখেন, ’01/04/2008 থেকে 31/12/2015 পর্যন্ত সময়কালের বকেয়া নির্ণয়ের পদ্ধতি! এর আগে বকেয়া মেটানোর ক্ষেত্রে ১০০ ভাগের মধ্যে ৪৩ ভাগ দিয়ে বলা হয়েছিল সব দিয়ে দিলাম। এবার যে হিসাবে বকেয়া মেটাতে চলেছে তাতে হয়তো এক শতাংশ না দিয়েই সব বকেয়া পরিশোধের রাস্তা বের করেছে অর্থ দপ্তরের কর্তাব্যক্তিরা।তার মানে আবার সংঘাতেই জড়াতে চাইছে দপ্তর!’

তিনি আরও জানান, ‘মাননীয় মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন আপনার সাথে বৈঠকের সময় যখন আমরা ভুল হিসাবের কথা উল্লেখ করি তখন আপনি বলেছিলেন সব হিসাব ঠিক করে বকেয়া মেটাতে হবে। সেই অনুযায়ী আমাদের সামনেই অর্থ সচিবকে হিসাব ঠিক করার নির্দেশ দেন এবং বলেন, টাকা সঠিক হিসাবেই মেটাবেন। আপনার নির্দেশ ও এই হিসাব পদ্ধতি সম্পূর্ণ বিপরীতমুখী। তার মানে আবার লড়াই করেই সব ঠিক করতে হবে। যদিও আমরা সবসময় এটার জন্য তৈরি থাকি। এরপর সরকার ঠিক করুক আমাদের সাথে সম্পর্কের বিন্যাস কীভাবে চাইছেন। সরকার যদি আমলানির্ভর হয়, তাহলে সরকারের ভাবমূর্তি খারাপ হতে বেশি সময় লাগবে না।’

আরও পড়ুন: রেকর্ড পতন, আজও ডলারের বিপরীতে শক্তি হারাল ভারতীয় রুপি, দেখুন রেট

বকেয়া মেটানোর ঘোষণা সরকারের

উল্লেখ্য, রাজ্য সরকারি কর্মীদের দীর্ঘ ৭ বছরের বকেয়া DA এক কিস্তিতে মেটানোর বড় সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার। কীভাবে এক কিস্তিতে সেই বকেয়া ডিএ-র টাকা মেটানো হবে? কোন পোর্টালে কীভাবে আবেদন? কী কী তথ্য লাগবে? কীভাবে হিসেব করা হবে? কর্মীদের বেতন কাঠামোর তথ্য কীভাবে যাচাই করা হবে? সেই নিয়েই স্পষ্ট নির্দেশিকা জারি করেছে অর্থ দফতর।

google button