অস্বাভাবিক মৃত্যু IIT খড়্গপুরে, কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার অধ্যাপকের ঝুলন্ত দেহ

Published:

Professor Dies At IIT Kharagpur

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: খড়্গপুর IIT-র (IIT Kharagpur) ক্যাম্পাস থেকে উদ্ধার হল এক অধ্যাপকের ঝুলন্ত দেহ, আজ, বুধবার, দুপুরের দিকে তাঁর নিজস্ব কোয়ার্টার থেকে উদ্ধার করা হয়েছে অধ্যাপকের দেহ (Professor Dies At IIT Kharagpur)। জানা গিয়েছে, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন বছর ৩৬ এর দীপক রেড্ডি পুল্লাগুরম। ভয়ংকর এই ঘটনায় রীতিমত চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে ক্যাম্পাস জুড়ে। কী ভাবে তাঁর মৃত্যু হল, আদতে এটি আত্মহত্যা নাকি নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

ঠিক কী ঘটেছিল?

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক দীপক রেড্ডি পুল্লাগুরমের নিজস্ব বাড়ি হায়দরাবাদে। কিন্তু কর্মসূত্রে তিনি খড়্গপুর IIT-র ক্যাম্পাসের ২ বিআর -১৪ নম্বর কোয়ার্টারে থাকতেন। কিন্তু আজ বুধবার সকাল থেকে দীপকের সাড়া পাওয়া যাচ্ছিল না। শেষে দুপুর সাড়ে ১২ টা নাগাদ নিরাপত্তারক্ষীদের কাছ থেকে খবর পেয়ে খড়্গপুর টাউন থানার অন্তর্গত হিজলি ফাঁড়ির পুলিশ ঘটনাস্থলে যায় এবং কোয়ার্টারের নিরাপত্তারক্ষীদের সাহায্যে সংশ্লিষ্ট ঘরে ঢোকে। এই সেখান থেকেই উদ্ধার করা হয় প্রফেসরের দেহ। তড়িঘড়ি তাঁকে আইআইটি ক্যাম্পাসের বি সি রায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়, কিন্তু সেখানকার চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

মেলেনি কোনো সুইসাইড নোট

খড়গপুর আইআইটিতে এর আগে বেশ কয়েকজন পড়ুয়ার অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এ বার এক সহকারী অধ্যাপকের মৃত্যুর ঘটনা ঘিরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে পড়ুয়া ও শিক্ষক মহলে। তবে এই ঘটনা আদতে সুইসাইড কিনা সেই নিয়ে সঠিক কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। আপাতত তাঁর ঘরটি সিল করে দেওয়া হয়েছে। খবর দেওয়া হয়েছে তাঁর পরিবারকেও। তাঁর ঘরেও তল্লাশি চালানো হয়েছে, কিন্তু মেলেনি কোনো সুইসাইড নোট। তাই দীপকের পারিবারিক কোনও সমস্যা ছিল কি না, কর্মক্ষেত্রে তিনি কোনও সমস্যায় পড়েছিলেন কি না, সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ করে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

আরও পড়ুন: ডেঙ্গুর বাড়বাড়ন্ত রুখতে এবার স্কুল ইউনিফর্মে আসছে বড় বদল, বিশেষ ঘোষণা স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

প্রফেসরের এই মৃত্যুর ঘটনায়, পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা এ প্রসঙ্গে জানিয়েছেন, ‘‘এক অধ্যাপকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে। কী ভাবে বা কী কারণে মৃত্যু, তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’’ এদিকে সংস্থার অধ্যাপকের রহস্যমৃত্যু প্রসঙ্গে এখনও কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি আইআইটি কর্তৃপক্ষ।