আবাস যোজনার আবেদন পার করল ৫৪ লক্ষ! শীর্ষে দক্ষিণ ২৪ পরগনা, এবার হবে ভেরিফিকেশন

Published:

Awas Yojana

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: উপনির্বাচনের আগেই এবার রাজ্যে আবাস যোজনা (Awas Yojana) নিয়ে বড় আপডেট প্রকাশ্যে এল। প্রকল্পের প্রাথমিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে বিপুলসংখ্যক আবেদনকারীর (Awas Yojana Applicants) নাম। যেখানে সরকার আনুমানিক ৩২ লক্ষ পরিবারের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছিল সেখানে আবেদনকারীর সংখ্যা ছাড়িয়ে গেল প্রায় ৫৪ লক্ষেরও বেশি। যদিও এখনই সরাসরি বাড়ি পাওয়া যাবে না, কারণ শুরু হতে চলেছে দ্বিতীয় দফায় ভেরিফিকেশন (Awas Yojana Re-Verification) প্রক্রিয়া।

আবেদনের সংখ্যা ছাড়ালো ৫৪ লাখ

রাজ্যে ক্ষমতার রদবদল হতেই কেন্দ্র এবং রাজ্যের প্রকল্পগুলির উপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে বিজেপি সরকার। সম্পূর্ণ দুর্নীতিমুক্ত প্রকল্প ব্যবস্থা গড়ে তুলতে একের পর এক নয়া পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, যার মধ্যে অন্যতম হল আবাস যোজনা প্রকল্প। ইতিমধ্যেই এই প্রকল্পের আবেদনকারীদের সমীক্ষা ও যাচাই করার জন্য জেলায় জেলায় দ্রুতগতিতে কাজ চলছে। ইতিমধ্যেই প্রায় ৫৪ লক্ষ ৫৭ হাজার পরিবার এই সরকারি আবাসন প্রকল্পের আওতায় নিজেদের নাম নথিভুক্ত করেছে। গত ১৫ আগস্ট থেকে এই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল যা ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ছিল। লক্ষ্য একটাই কোনও প্রকৃত দুঃস্থ ও যোগ্য পরিবার যাতে সুযোগ থেকে বঞ্চিত না হয়।

তালিকায় নজর কেড়েছে একাধিক জেলা

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী জানা গিয়েছে, আবাস যোজনা প্রকল্পে সর্বাধিক আবেদন জমা পড়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায়, প্রায় ৪.৮১ লক্ষ পরিবার নথিভুক্ত করেছে নাম। এরপর রয়েছে মুর্শিদাবাদ, ৪.৪২ লক্ষ, পশ্চিম মেদিনীপুর ৩.৮৬ লক্ষ, উত্তর ২৪ পরগনায় ৩.৮৪ লক্ষ, পূর্ব মেদিনীপুরে ৩.৩১ লক্ষ, কোচবিহারে ৩.২৮ লক্ষ। পাশপাশি মালদা, পূর্ব বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় যথাক্রমে ৩.১৫ লক্ষ, ৩.০৯ লক্ষ, ২.৯৫ লক্ষ ও ২.৭৩ লক্ষ পরিবার আবেদন করেছেন। শুধু তাই নয়, তালিকায় দেখা গিয়েছে উত্তর দিনাজপুরে ২.৮২ লক্ষ, হুগলিতে ২.৭২ লক্ষ, নদীয়ায় ২.৫৫ লক্ষ এবং বীরভূমে ২.৫৪ লক্ষ পরিবারের প্রাথমিক তথ্য নথিবদ্ধ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন: উপনির্বাচনের আগেই চরম সংকটে হুমায়ুন কবীর! ছুটল হাইকোর্টে, কারণ কী?

এছাড়াও উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলার মধ্যে জলপাইগুড়িতে ১.৮৪ লক্ষ, হাওড়ায় ১.৬৯ লক্ষ, দক্ষিণ দিনাজপুরে ১.৬০ লক্ষ, আলিপুরদুয়ারে ১.১৫ লক্ষ ও ঝাড়গ্রামে ৯০ হাজার পরিবারের নামও সমীক্ষার আওতায় এসেছে। তবে প্রাথমিক সমীক্ষায় নাম থাকা মানেই সরাসরি বাড়ি পাওয়া নিশ্চিত নয়। কারণ এখন হবে দ্বিতীয় দফায় ভেরিফিকেশন। প্রশাসনিক আধিকারিকরা এবার প্রতিটি পরিবারের কাছে গিয়ে তাদের বর্তমান বাসস্থানের প্রকৃত অবস্থা খতিয়ে দেখবেন। কোনও অযোগ্য পরিবারের নাম ঢুকে থাকলে তা তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হবে।