প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ক্ষীরপাই বড়মার মন্দিরে দর্শনার্থীদের ভিড়ের মাঝেই সংগীতশিল্পী কেশব দে-র (Keshab Dey) নাচের শুটিংকে ঘিরে শুরু হল ব্যাপক উত্তেজনা। মায়ের মন্দিরের ভিতর এইরূপ ভিডিও (Keshab Dey Temple Dance) করাকে নিয়ে প্রশ্ন তুললেন একাধিক। অনেকের দাবি, কেশব দে-র এই কর্মকাণ্ড সনাতন ধর্মের রীতিনীতি এবং মন্দিরের পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ন করেছে। ব্যাপক শোরগোল শুরু মন্দির চত্বরে।
শুটিং করতে গিয়ে বিপাকে কেশব
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, পশ্চিম মেদিনীপুরের ক্ষীরপাই বড়মার মন্দিরে জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কেশব দে-র নতুন শ্যামাসংগীতের শুটিংকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্ক এবং ব্যাপক শোরগোলের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যেই ভাইরাল সেই ভিডিও, যেখানে শুটিংয়ের একটি অংশে কয়েকজন তরুণীকে লাল শাড়ি ও কালো টপ পরে দেবী মূর্তির সামনে কোরিওগ্রাফি অনুযায়ী নাচতে দেখা যাচ্ছে এবং জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কেশব দে-কেও লাল ধুতি পাঞ্জাবি পরেও নাচতে দেখা গিয়েছে। আর সেই নিয়ে শুরু হয়েছে একাধিক বিতর্ক। সকলের অভিযোগ এইভাবে মন্দিরে এইরূপ কার্যকলাপ কখনোই মেনে নেওয়া যায় না।
ক্ষুব্ধ দর্শনার্থীরা
ঘটনার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেন ও সনাতন ধর্মাবলম্বীদের একটি বড় অংশের মধ্যে বড় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। সেখানকার একাধিক দর্শনার্থীদের দাবি, শিল্পের নামে মন্দিরের গর্ভগৃহে এই ধরনের বিনোদনমূলক কর্মকাণ্ড কখনোই মেনে নেওয়া যায় না। মা কখনোই কারোর নিজস্ব ব্যক্তিগত সম্পদ নয়। তাই এইভাবে মন্দির আটকে নাচের ভিডিও বানানো একদমই শোভনীয় নয়। যদিও শুটিং চলাকালীন কেশব দে-কে নিজে খালি পায়ে নেচে ছিলেন। কিন্তু বিতর্ক যে এতদূর গড়াবে সেটা অনেকেই বুঝে উঠতে পারেনি। যদিও এই নিয়ে এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি কেশব দে।
আরও পড়ুন: মমতাকে বাংলাদেশের ভোটে দাঁড়ানোর পরামর্শ বিজেপি সাংসদ জ্যোতির্ময়ের
প্রসঙ্গত, এর আগেও সংগীতশিল্পী কেশব দে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে ফলাফলের সময়ও কটাক্ষের মুখে পড়েছিলেন। কারণ তৃণমূলের আমলে তিনি ওই দলের হয়ে একাধিক গান গেয়েছিলেন। কিন্তু তৃণমূলের ভরাডুবি হতেই মতবদল হয় কেশবের। সঙ্গে সঙ্গে বিজেপির জন্য গান তৈরির ধুম তৈরি হয় তাঁর। কিছুদিন আগে সোশাল মিডিয়ায় তাঁর গাওয়া ‘জয় শ্রী রাম’ গান আপলোড হতেই শোরগোল পরে গিয়েছিল।










