সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: এবার বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেই (Mamata Banerjee) আক্রমণ। হালিশহরে মমতার গাড়ি ঘিরে প্রবল বিক্ষোভ। নিহত তৃণমূল কর্মীর বাড়িতে যাওয়ার পথে চরম হেনস্থার শিকার হয়েছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে জল, কাদা এবং জুতো ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি মমতাকে লক্ষ্য করে ওঠে ‘চোর’ এবং ‘ডাকাত রানী’ স্লোগান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে চরম চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি বিক্ষোভকারীদের দাবি, শান্ত এলাকাকে অশান্ত করতে এসেছেন মমতা। সেই কারণেই এই বিক্ষোভ প্রদর্শন।
হালিশহরে মমতাকে ঘিরে বিক্ষোভ
আসলে গত পরশুদিন রাতে হালিশহর থানার লকআপে এক তৃণমূল কর্মীর অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়। কাঁচরাপাড়া পুরসভার প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর জেনি শর্মার স্বামী বিরজু কেওটকে তোলাবাজির মামলায় গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। তবে আদালতে তোলা হলে তাঁকে ৫ দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। সেই মতোই গত পরশুদিন রাতে তাঁকে থানায় আনা হয়। এমনকি রাতের বেলাও তিনি সুস্থ ছিলেন। স্বাস্থ্য পরীক্ষায় কোনও রকম অস্বাভাবিকতা ধরা পড়েনি। কিন্তু মাঝরাতে অস্বাভাবিক মৃত্যু হয় ওই তৃণমূল কর্মীর।
তাঁর পরিবারের অভিযোগ, থানার ভিতরে পুলিশকর্মীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করেছে। সেই কারণেই মৃত্যু হয়েছে বিরজুর। যদিও সেই বিষয়ে পুলিশের তরফ থেকে কিছু জানানো হয়নি। এমনকি মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করা হয়েছে। সেই পরিবারের সঙ্গেই এদিন হালিশহরে দেখা করতে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তাঁর গাড়ি ওই এলাকায় ঢোকা মাত্রই তৈরি হয় জনরোষ। এমনকি স্থানীয় লোকজন থেকে শুরু করে মহিলারাও পর্যন্ত বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন।
আরও পড়ুন: ঝাঁকুনিতে ৩০০ ফুট নিচে নেমে যায় এয়ার ইন্ডিয়ার বিমান, মদ্যপ ছিলেন পাইলট!
এদিন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় কাদা, মাটি এবং জুতো। এমনকি অনেককে ইট পর্যন্ত ছুঁড়ে মারতে দেখা যায়। পাশাপাশি মমতাকে লক্ষ্য করে অনেকেই ‘চোর চোর’ স্লোগান দিতে থাকেন। স্থানীয়দের দাবি, শান্ত এলাকাকে অশান্ত করার জন্যই মমতা এখানে এসেছেন। কারণ বিগত ১৫ বছর ধরেই বাংলাকে তিনি শেষ করেছেন। তবে এই ঘটনায় পুলিশের হস্তক্ষেপ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি।










