প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: ৪২ বছরের শিক্ষকের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসলেন ১৮ বছরের তরুণী, এমনই এক আজব বিয়ের ঘটনা নিয়ে চরম শোরগোল শুরু হল মুর্শিদাবাদে (Murshidabad)। এদিকে বিয়ের দিন দুপুরে অনুষ্ঠান বাড়িতে হাজির হন প্রশাসনিক আধিকারিকেরা। মূলত বিয়ের (Murshidabad Age Gap Marriage Controversy) তদারকি করতেই তাঁদের আগমন বলেই জানিয়েছেন স্থানীয়রা। এদিকে সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বিয়ের খবর সামনে আসতেই বিষয়টি ঘিরে নেটিজেনদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।
২৪ বছরের বড় পাত্র
প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, গত সোমবার, ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের সাগরপাড়া এলাকায়। পাত্র পেশায় একজন প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। তাঁর বয়স ৪২ বছর, বাড়ি মুর্শিদাবাদের ছয়গড়ি এলাকায়। অন্যদিকে পাত্রী ১৮ বছরের তরুণী, সিপাহী রজত এলাকার বাসিন্দা। এদিকে পাত্রীর বাবা, পাত্রের থেকে মাত্র ৬ বছরের বড়। স্বাভাবিকভাবেই পাত্র পাত্রীর বয়সের বিস্তর ফারাক থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে জোর আলোচনা শুরু হয়। সম্প্রতি এই বিয়েকে ঘিরে সোশ্যাল মিডিয়ায় একাধিক ভিডিও পোস্ট করা হয়। জানা যায়, বিয়ের দিন দুপুরেই নাকি হাজির হন প্রশাসনিক আধিকারিকরা।
হাজির হয় প্রশাসনিক আধিকারিকরা
অনুষ্ঠান বাড়িতে বিয়ের হৈ চৈ-এর মাঝেই প্রশাসনিক আধিকারিকদের আগমনে থমথমে পরিবেশ তৈরি হয়। তবে তাঁরা বিয়ে ভাঙার জন্য আসেনি, মূলত এসেছিলেন এই বিয়েতে পাত্রীর ইচ্ছা আছে কিনা। আসলে অনেক পরিবারে দেখা যায় জোর করে পাত্রীর ইচ্ছা না থাকা সত্ত্বেও বিয়ে দিয়ে দেওয়া হয়। তাই সেখানে দাঁড়িয়ে বয়সে এত বড় পাত্রের সঙ্গে বিয়ে দেওয়া নিয়ে পাত্রীর অসম্মতি রয়েছে কিনা তা যাচাই করতে প্রশাসনিক আধিকারিকরা গিয়েছিলেন। যদিও পাত্রীর দাবি নিজের ইচ্ছাতেই তিনি এই বিয়েতে রাজি হয়েছেন।
আরও পড়ুন: মালদায় গাছে উঠে ফেঁসে গেল নারকেল চোর, নামাতে দমকল ও পুলিশ ডাকল বন বিভাগ
প্রশাসনিক আধিকারিকরা এদিন শুধু পাত্রীর সঙ্গেই নয়, পাত্রীর বাবা-মায়ের সঙ্গেও কথা বলেছিলেন। তাঁরাও এই বিয়ে নিয়ে কোনো আপত্তি জানাননি বলেই জানা গিয়েছে। এখন এই বিয়ে নিয়ে প্রশাসনের পরবর্তী পদক্ষেপ কী তারেদিকে তাকিয়ে সকলে। এর আগেও এই ধরনের বিয়ের খবর প্রকাশ্যে এসেছিল জনসমক্ষে। বিহারে ৪২ বছরের গৃহ শিক্ষকের সঙ্গে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছিলেন ১৮ বছরের তরুণী। বাড়িতেই সম্পর্ক না মেনে নিলেও তারা মন্দিরে গিয়ে বিয়ে করেছিলেন। পরে আইনি বিয়েও সম্পন্ন হয় তাঁদের।










