“আরজি করের মতো পাপ কাজ থেকে বাঁচতে গীতা পড়তে হবে”, আদ্যাপীঠে বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

Published:

Suvendu Adhikari

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: আরজি করের মতো ঘটনা রুখতে মানুষকে গীতা পড়া প্রয়োজন। মনের পাপ দূর করতে আধ্যাত্বিক জাগরণ দরকার। গীতাতেই তা সম্ভব। আদ্যাপীঠের মন্দিরে পূজা দিয়ে বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। বুধবার দক্ষিণেশ্বরের এই মন্দির পরিদর্শন করতে যান তিনি। এমনকি সেখানে পৌঁছলে মুখ্যমন্ত্রীকে আদ্যাপীঠের অধ্যক্ষ ব্রহ্মচারী মালা পরিয়ে অভ্যর্থনা জানান। পাশাপাশি বিশেষ পুজো এবং আরতি পাঠ করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে বাচ্চাদের উদ্দেশ্য কথা বলতে শোনা যায় তাঁকে।

আদ্যাপীঠের মন্দিরে পুজো দিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর

এদিন এই মন্দির পরিদর্শনে গিয়ে আদ্যাপীঠ পরিচালিত বিভিন্ন অনাথ আশ্রম এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কাজকর্মগুলি খুঁটিয়ে দেখেন তিনি। পাশাপাশি তিনি নিজেই জানিয়েছেন, এখানকার শিক্ষা পরিষেবার অবস্থা খুব একটা সন্তোষজনক নয়। এগুলির উন্নয়ন দরকার। পাশাপাশি এদিন তিনি ভক্তদের সুবিধার্থে অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা উদ্বোধন করেন। মন্দিরে পুজো দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী জানান, কলকাতা শুধুমাত্র সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নয়। বরং এটি আধ্যাত্মিক রাজধানীও বটে। আর সেখানেই তিনি আরজি করের ঘটনা নিয়ে বড় মন্তব্য করেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আরজি করের মতো মর্মান্তিক আর নিন্দনীয় ঘটনার প্রতিরোধে নৈতিক এবং আধ্যাত্বিক জাগরণ অত্যন্ত জরুরি। প্রতিটি সনাতন প্রতিষ্ঠানের মূলে রয়েছে নিঃস্বার্থ সেবার মানসিকতা। মনের পাপ দূর করার জন্য মানুষকে গীতা পড়া প্রয়োজন। গীতা পাঠে আধ্যাত্মিক জাগরণ ঘটে। এবং আরজি করের মতো নিন্দনীয় ঘটনা থেকে বিরত থাকতে মানুষকে অবশ্যই গীতা পড়তে হবে। মন্দিরের পুজো সেরে এমনই বক্তব্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর।

আরও পড়ুন: গ্রামের সরকারি স্কুলের উন্নয়নে দেশব্যাপী অভিযান, বড় ঘোষণা অভিজিৎ দীপকের

মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “কলকাতায় কে জন্মাননি! স্বামী বিবেকানন্দ থেকে শুরু করে রামকৃষ্ণদেব, শ্রীচৈতন্যদেব কিংবা এই মন্দিরের মহারাজ। মানুষের মধ্যে ধর্মীয় জাগরণের প্রয়োজন রয়েছে। তাঁর আধ্যাত্মিক জাগরণের দরকার রয়েছে। তবেই সে প্রকৃত মানুষ। এতে খারাপ কাজ থেকে বিরত থাকবেন। ছোট ছোট শিশু থেকে আরজি করের মতো পাপ কাজ থেকে যদি বিরত থাকতে হয়, তাহলে তাঁকে গীতা পড়াতেই হবে। তাঁকে সেইভাবে আধ্যাত্মিক জাগরণ ঘটাতে হবে। এর পাশাপাশি গেরুয়া রঙের মাহাত্ম্য বোঝাতে হবে। কারণ, গেরুয়া রং কোনও রাজনীতির রং নয়। এটি ধর্মীয় জাগরণের রং।”