DA মামলায় রাজ্যকে কড়া নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের, প্রকাশ্যে অর্ডার কপি

Published:

Dearness allowance

সহেলি মিত্র, কলকাতা: বাংলার বকেয়া মহার্ঘ্য ভাতা (Dearness allowance) মামলায় জট আরও গভীর হচ্ছে। পঞ্চম বেতন পে কমিশনের আওতায় বকেয়া থাকা টাকার প্রথম কিস্তির টাকা ইতিমধ্যেই সবাইকে দিয়ে দিয়েছে সরকার। যদিও বাকি টাকা প্রদানের ক্ষেত্রে নতুন করে সুপ্রিম কোর্টে পশ্চিমবঙ্গ সরকার এমএ পিটিশন দায়ের করে, আর সেই মামলার শুনানি হয় গত ১৫ এপ্রিল। যদিও মামলার শুনানি নতুন করে ভোটের পর পিছিয়ে দিয়েছে আদালত। এবার আদালতের সেই নির্দেশনামা অর্ডার কপি সামনে এল। সরকারকে পরবর্তী কী কী নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা লেখা রয়েছে অর্ডার কপিতে।

DA মামলায় প্রকাশ্যে সুপ্রিম কোর্টের অর্ডার কপি

তালিকা অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট বুধবার তার ৫ ফেব্রুয়ারির রায়ের বাস্তবায়ন সংক্রান্ত শুনানি ৬ মে পর্যন্ত মুলতবি করেছে। ওই রায়ে আদালত মমতা ব্যানার্জী সরকারকে ২০০৮ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত সরকারি কর্মচারীদের মহার্ঘ্য ভাতার  বকেয়ার প্রথম কিস্তি ৩১ মার্চের মধ্যে পরিশোধ করার নির্দেশ দিয়েছিল। ৫ ফেব্রুয়ারির রায়ে বলা হয়েছিল যে, পঞ্চম বেতন কমিশনের রিপোর্ট অনুযায়ী বকেয়া ডিএ পরিশোধ করা হবে। এরপর ১৫ এপ্রিল মামলাটি যখন পুনরায় শীর্ষ আদালতে ওঠে তখন বিচারপতি সঞ্জয় করোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রের বেঞ্চে লক্ষ্য করে যে স্টেটাস রিপোর্ট আদালতের সামনে পেশ করা হয়নি। যে কারণে মামলার শুনানি পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে এবং পরবর্তী শুনানির সময়ে সরকারকে নতুন করে অর্ডার কপি পেশ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ শীঘ্রই প্রকাশিত হবে উচ্চ মাধ্যমিকের রেজাল্ট, দেখতে পারবেন এক ক্লিকেই, জানুন

বিশেষ নির্দেশ সরকারকে

কনফেডারেশন অব স্টেট গভর্নমেন্ট এমপ্লয়িজের সাধারণ সম্পাদক মলয় মুখোপাধ্যায় আদালতের অর্ডার কপি সামনে আনেন। সেটা অনুযায়ী, আদালত নির্দেশ দিয়েছে, প্রথম কিস্তির অর্থ প্রদান করার পর একটি স্ট্যাটাস রিপোর্ট দাখিল করবে, যেখানে কমিটির সিদ্ধান্ত, গৃহীত সময়সূচি এবং প্রথম পেমেন্টের অবস্থা উল্লেখ থাকবে। যদি কোনো মুলতুবি আবেদন থাকে, তা বন্ধ বলে গণ্য হবে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কোনো খরচ আরোপ করা হবে না।

রিপোর্টে কিন্তু বারবার একটা কথা বলা হয়েছে যে, উপরোক্ত আদেশ সত্ত্বেও এখনো পর্যন্ত কোনো স্ট্যাটাস রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়নি। শেষে উল্লেখ করা হয়েছে যে, কন্টেম্পট পিটিশন (সি) ডায়েরি নং ১১১০৩, ১১৪৭৯, ১৩৪২৭, ১৭৫১০ (২০২৬) এবং এমএ ডায়েরি নং ১৩৮৬৭ (২০২৬) দাখিল করা হয়েছে এবং এদের মধ্যে কিছু এখনও ত্রুটিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।