“আমার নামে টাকা চাইলে ছবি তুলুন..” তোলাবাজি নিয়ে কড়া হুঁশিয়ারি রত্না দেবনাথের

Published:

Ratna Debnath

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্য জুড়ে তোলাবাজি বন্ধের জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী একের পর এক হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়ে চলেছে। কোনও তোলাবাজি (Extortion Case) বরদাস্ত করা হবে না বলে একই বার্তা দিতে চলেছেন দিলীপ ঘোষ, শমীক ভট্টাচার্য প্রমুখ নেতা, কিন্তু তোলাবাজি হয়েই চলেছে। আর এবার নিজের বিধানসভা ক্ষেত্রে সেই একই বার্তা দিলেন পানিহাটির (Panihati) বিধায়ক রত্না দেবনাথ (Ratna Debnath)। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “কেউ যদি আমার নাম করে টাকা চায় তাহলে মোবাইলে ছবি তুলে রাখবেন..”

তোলাবাজি নিয়ে হুঁশিয়ারি পানিহাটির বিধায়কের

প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী গতকাল, রবিবার পানিহাটিতে বিজেপি আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছিলেন সেখানকার বিধায়ক রত্না দেবনাথ। সেখানেই তিনি তোলাবাজির প্রসঙ্গ তুলে বলেন, “যাঁরা আমার নাম করে টাকা নিতে আসছেন মোবাইলে তাঁদের ছবি তুলে রাখবেন। আর বলবেন যদি বিধায়ক পাঠান তাহলে তাঁর সই নিয়ে আসুন। আর নয়তো তাঁর এমএলএ প্যাডে নিয়ে আসুন। ভয় পাবেন না। সাহস করে এগিয়ে আসুন।” এরপরই তিনি পানিহাটির উন্নয়ন প্রসঙ্গে বলেন, “যেন কোনও থ্রেট কালচার না থাকে। দেখেছেন তো নির্মল ঘোষ ও তাঁর ছেলে একসঙ্গে জেলে বসে আছেন। এক অপরকে ক্রমাগত দোষ দিয়ে যাচ্ছে।”

নির্মল ঘোষকে টার্গেট রত্না দেবনাথের

রবিবার এই অনুষ্ঠানের মঞ্চেই বিধায়ক রত্না দেবনাথ জেলবন্দি প্রাক্তন বিধায়ক নির্মল ঘোষকে টার্গেট করে বলেন যে, “নির্মল ঘোষ আমায় নিয়ে নানা অভিযোগ করে চলেছেন, মনে হয় উনি ক্ষমতার লোভে পাগল হয়ে গিয়েছেন। তাই আমার নামে এই সব অভিযোগ করছেন। এখন জেলে বাবা কখনও ছেলেকে বলছে তোর জন্য় এই সব হয়েছে, উল্টে ছেলেও বলছে তুমি বেশি বেশি বাড়াবাড়ি না হলে এমনটা হত না।” এরপর আরজি করের প্রসঙ্গ তুলে বিধায়ক জানান, মেয়ের জন্য লড়াই তিনি কোনও দিন ছাড়বেন না। আসল দোষীদের শাস্তি দিয়েই ছাড়বেন।

আরও পড়ুন: এখনও পাননি অন্নপূর্ণার টাকা? এবার আবেদনকারীদের উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন মন্ত্রী শঙ্কর

প্রসঙ্গত, রাজ্যে সরকার বদলের পর নতুন করে খুলেছে আরজি কর ফাইলস। ইতিমধ্যেই তিন IPS অফিসারকে সাসপেন্ড করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। ৩ সদস্যের SIT টিম তৈরি করে জোরকদমে তদন্ত চালাচ্ছে CBI। পাশাপাশি তদন্ত শুরু করেছে স্বাস্থ্য দফতরও। এমতাবস্থায় কলকাতা হাইকোর্ট স্পষ্ট নির্দেশ দেন যে, তিন সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত শেষ করতে হবে CBI-SIT-কে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর ফের শুনানি হবে। হাইকোর্টের রুদ্ধদ্বার কক্ষেই চলবে আরজি কর শুনানি।