প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: রাজ্যজুড়ে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা’ (Annapurna Yojana) ঘিরে সামনে আসছে একাধিক অসন্তোষ। টাকা না মেলায় দিকে দিকে অশান্তি ছড়াচ্ছে, শুধু তাই নয় ভাঙচুর, রেল অবরোধও (Annapurna Yojana Protest) করে চলেছেন মহিলারা। এদিকে যোগ্য প্রাপকদের আশ্বস্ত করে খোদ মুখ্যমন্ত্রীও ভরসা রাখতে বলেছেন বারবার। এমতাবস্থায় ময়দানে নামলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ (Shankar Ghosh)। যাঁরা অন্নপূর্ণার অনুদান পাননি তাঁদের দিলেন বিশেষ বার্তা।
অন্নপূর্ণা নিয়ে বাড়ছে ক্ষোভ
তৃণমূলের শাসনকালের মহিলাদের জন্য চালু করা হয়েছিল লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, কিন্তু বিজেপি আসতেই সেই সরকারি প্রকল্পের নাম বদলে করা হয়েছে অন্নপূর্ণা যোজনা। শুধু তাই নয়, দেড় হাজারের বরাদ্দ একলাফে বেড়ে হয়েছে দ্বিগুণ। কিন্তু অনেকেই সরকারি ভাতার তিন হাজার টাকা পাচ্ছেন না, স্বাভাবিকভাবে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ তৈরি হয়েছে। বিডিও অফিস, পুরসভা ভাঙচুর করছেন মহিলারা, আর এবার অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদনকারীদের উদ্দেশে শিলিগুড়ির বিধায়ক তথা পর্যটন মন্ত্রী শংকর ঘোষ বিশেষ বার্তা দিলেন।
কী বলছেন মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ?
জানা গিয়েছে, গতকাল অর্থাৎ রবিবার কলকাতা যাওয়ার সময় সোশাল মিডিয়ায় নিজের অ্যাকাউন্ট থেকে অন্নপূর্ণা যোজনা নিয়ে লাইভ করেছিলেন বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ। তিনি সেখানে শিলিগুড়ি বাসিন্দাদের উদ্দেশে স্পষ্ট জানান যাঁরা অন্নপূর্ণা যোজনার (Annapurna Yojana) টাকা পাননি, তাদের আজ অর্থাৎ সোমবার দুপুর দেড়টার মধ্যে সমস্ত তথ্য জমা দিয়ে দিতে শিলিগুড়ির হিলকার্ট রোডের বিধায়ক দপ্তরে। সরকারি নথি অনুযায়ী, শিলিগুড়ি শহরে মাত্র ৩৫ হাজার মহিলা অন্নপূর্ণা পেয়েছে। আর তাই নিয়ে বিক্ষোভকারীরা মহকুমা শাসকের দপ্তরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তাই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এই উদ্যোগ নিলেন শংকর ঘোষ।
আরও পড়ুন: সাতসকালে শিয়ালদহ স্টেশনে লাগল আগুন, তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে দমকলের ৩ টে ইঞ্জিন..
মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষের কথায়, “সোমবার দুপুর দেড়টার মধ্যে নিজেদের নাম নথিভুক্ত করার পাশাপাশি সমস্ত তথ্য জমা দিন। আমি সেটা নারী শিশু কল্যাণমন্ত্রীর কাছে জমা করে দেব। আপনাদের ঘাবড়ানোর কিছু নেই। ৩৫ হাজার মহিলা পেয়েছেন। বাকিরাও পেয়ে যাবেন। কিছু সমস্যার কারণে হয়তো আসেনি। আপনারা জমা দিলেই বাকিটা আমি দেখে নেব।” কিছুদিন আগে শিলিগুড়িতে অন্নপূর্ণা যোজনার টাকা পেয়েছেন কি না, সেই খোঁজ নিতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে গিয়েছিলেন শংকর ঘোষ। যারা টাকা পেয়েছেন বলে জানাচ্ছে, তাঁদের বাড়িতে ‘গর্বিত প্রাপক’ স্টিকার সেঁটে দিয়েছিলেন তিনি।










