প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: দীর্ঘ ৫০ বছর পর অবশেষে রাস্তার সমস্যা মিটতে চলেছে হাওড়ার (Howrah) কোনা ভূতবাগান এলাকায়। জানা গিয়েছে, হাওড়ার শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষের (Rudranil Ghosh) উদ্যোগে কাজ শুরু হল ঢালাই রাস্তার। অভিযোগ ছিল, খালপাড় এলাকায় ঢালাই রাস্তা নেই। যার জেরে প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটতে দেখা যায়। বর্ষাতেও এই রাস্তার জন্য নাকানি চুবানি খেতে হয় স্থানীয়দের, অবশেষে বিজেপি সরকার আসতেই সেই সমস্যার সমাধান হতে চলেছে।
তৃণমূলের আমলে হয়নি কাজ
স্থানীয় নাগরিকদের একাংশের দাবি, দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর ধরে ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কোনা ভূতবাগান খালপাড় এলাকায় কোনও পাকা রাস্তা তৈরি হয়নি। সবসময় ভাঙাচোরা রাস্তা দিয়েই আট থেকে আশি সকলকেই যাতায়াত করতে হত। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হত বর্ষাকালে। জল জমে দুর্ঘটনা লেগেই থাকত সারাক্ষণ। তৃণমূলের আমলে একাধিকবার নেতা মন্ত্রীদের পাকা রাস্তা বানিয়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলেও সকলেই শুধু প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, কাজের কাজ কিছুই করেনি। অবশেষে সেই কাজ করে প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন হাওড়ার শিবপুরের বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ।
রাস্তা ঢালাইয়ের উদ্যোগ রুদ্রনীলের
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় রুদ্রনীল ঘোষ ভূতবাগান খালপাড় এলাকার সাধারণদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নির্বাচনে জিতলে পাকা রাস্তা তৈরি করে দেওয়া হবে। আর এবার সেখানকার বিজেপি বিধায়ক হতেই কথা রাখলেন তিনি। প্রতিশ্রুতি মতো গত শনিবার থেকে শুরু হল ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের কোনা ভূতবাগান খালপাড় এলাকায় কংক্রিটের নতুন রাস্তা তৈরির কাজ। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে রাস্তা ঢালাইয়ের কাজ করালেন বিধায়ক। আর সেই উদ্যোগকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দের উচ্ছ্বাস দেখা গিয়েছে। শুধু তাই নয় রুদ্রনীলের এই প্রতিশ্রুতি পূরণের উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন অনেকে।
আরও পড়ুন: পাকিস্তানে শান্তি মিছিলে আত্মঘাতী হামলায় নিহত ১৪, আহত ২২
নতুন রাস্তা প্রসঙ্গে শিবপুরের বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ জানান, “মানুষকে পরিষেবা দিতে সর্বদা উদ্যোগী বর্তমান সরকার। তাই যেমন প্রতিশ্রুতি, তেমন কাজ।” অন্যদিকে স্থানীয়দের দাবি, “এতদিনে মনে হচ্ছে ভোটটা ঠিক জায়গায় দিয়েছি। আগের সরকারের সময়ে শুধু প্রতিশ্রুতি পেয়েছি। নতুন সরকার এসে কাজটা করছে।” এই প্রসঙ্গে স্থানীয় বিজেপি নেতা মনোজ গোস্বামী বলেন, ‘‘দীর্ঘ পঞ্চাশ বছর পরে এই অঞ্চলে ঢালাই রাস্তা হচ্ছে। আশা করা হচ্ছে এবার সকল দুর্ভোগ দূর হবে স্থানীয়দের।”










