এবার গ্রেফতার হবেই প্রশান্ত বর্মন! প্রাক্তন বিডিওর খোঁজে এবার STF-র অভিযান

Published:

Prasanta Barman

প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: প্রকাশ্যে এল বড় খবর! এবার প্রাক্তন বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে (Prasanta Barman) ধরতে ময়দানে নামল STF। জানা গিয়েছে, স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যার খুনের মামলায় অভিযুক্ত বিডিওকে খুঁজে বের করতে এবার বিশেষ টাস্ক ফোর্সের সাহায্য নিয়েছে বিধাননগর পুলিশ। গতকাল রাতেই নিউ টাউনে (Newtown) তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। অভিযোগ, দত্তাবাদ এলাকা থেকে নাকি অপহরণের পর স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে ওই বাড়িতেই নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।

ফের খুলল স্বপন কামিল্যার খুনের মামলা

উল্লেখ্য, গত বছর, ২৯ অক্টোবর যাত্রাগাছি খালপাড় থেকে স্বপন কামিল্যার দেহ উদ্ধার হয়। সেই খুনের মামলায় জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জের প্রাক্তন বিডিও প্রশান্ত বর্মন-সহ একাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে খুনের মামলা দায়ের হয়েছিল। কিন্তু সেই সময় পুলিশ প্রশান্ত বর্মণের দুই গাড়িচালক রাজু ঢালি ও গোবিন্দ সরকার, ঠিকাদার তুফান থাপা এবং কোচবিহারের তৃণমূল নেতা সজল সরকারকে গ্রেফতার করলেও প্রশান্তকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়নি। কিন্তু এরপরই সেই মামলার তদন্তভার চলে যায় বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দা বিভাগের হাতে।

মধ্যরাতেই বাসভবনে হানা STF এর

জানা গিয়েছে, গ্রেফতারের আগেই বারাসত জেলা আদালতে শর্ত সাপেক্ষে আগাম জামিন পেয়ে গিয়েছিলেন প্রশান্ত বর্মণ। আর তারপরেই আত্মগোপন করেছিলেন। পরে ওই মামলা সুপ্রিম কোর্টে গেলে বিচারপতি তাঁকে আত্মসমর্পণ করার নির্দেশ দেন। কিন্তু সেই নির্দেশ অমান্য করে প্রশান্ত। এবার তাঁকে খুঁজতেই ময়দানে নামল বিশেষ টাস্ক ফোর্স STF। প্রাপ্ত রিপোর্ট অনুযায়ী, নিউ টাউনে নিজস্ব বাড়ি রয়েছে প্রাক্তন বিডিও প্রশান্ত বর্মনের। বিধাননগর কমিশনারেটের গোয়েন্দা, সাইবার ক্রাইম অফিসাররা বুধবার রাতে সেখানে তল্লাশি চালায়। অভিযোগ, দত্তাবাদ থেকে অপহরণ করে এই বাড়িতেই আনা হয়েছিল স্বর্ণ ব্যবসায়ী স্বপন কামিল্যাকে। আশা করা যাচ্ছে খুব শীঘ্রই তাঁকে গ্রেফতার করা হবে।

আরও পড়ুন: মুশকিল আসান! অন্নপূর্ণা যোজনার পোর্টালে বড় বদল আনল নবান্ন, মিলবে আরও কিছু সুবিধা

প্রসঙ্গত, গত জুনে নিউ টাউনে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে এক পথচারীকে ধাক্কা মেরেছিলেন প্রাক্তন বিডিও প্রশান্ত বর্মন। ব্যাপক ভাইরাল হয়েছিল সেই ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায়। যদিও সেই মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করলেও জামিনে ছাড়া পেয়ে গিয়েছিলেন তিনি। প্রতিবার কোনও না কোনও ভাবে ছাড় পেয়ে গিয়েছেন প্রশান্ত। তবে এ বার নতুন করে তাঁর ফাইল খোলা হচ্ছে। এখন দেখার কতটা সাফল্য অর্জন করে STF।