প্রীতি পোদ্দার, কলকাতা: নিয়মিত অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসের জেরেই বেড়েই চলেছে রোগের সমস্যা। আজকাল মহিলাদের যে শারীরিক সমস্যাগুলি (Health) হচ্ছে তার মধ্যে অন্যতম হল পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম বা PCOS, এই অসুখে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। চিকিৎসকদের মতে, রোজের জীবনে কিছু অস্বাস্থ্যকর অভ্যাসেই এই রোগের জন্ম হয়। ডিম্বাশয়ের চারপাশে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হয়। তবে চিন্তার কিছু নেই, ঠিকঠাক খাবার খেলে এবং শরীর চর্চা (Health Tips) করলেই এই সমস্যা দূর হবে। তাহলে চলুন আজকের প্রতিবেদনের মাধ্যমে সম্পূর্ণটা জেনে নেওয়া যাক বিস্তারিত।
বাড়ছে PCOS এর সমস্যা
PCOS ইদানীং কালে মহিলাদের খুবই সাধারণ সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। চিকিৎসকদের কথায়, শরীরে এন্ড্রোজেনের মাত্রা বেড়ে গেলেই নাকি এই রোগ হয়। আর একবার যদি এই রোগ প্রবেশ করে তাহলে একাধিক সমস্যা জাঁকিয়ে বসে। যার মধ্যে অন্যতম হল পিরিয়ডে অনিয়ম, এছাড়াও ওজন বৃদ্ধি, মুখের অতিরিক্ত রোম, মুখ অতিরিক্ত ব্রণ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা যায়। তবে চিন্তা, কিছু পদক্ষেপে এই রোগ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসা সম্ভব হয়। তাহলে চলুন একনজরে জেনে নেওয়া যাক এই সমস্যা দূর করতে কী কী খাবার খাওয়া উচিত এবং কোনগুলো উচিত নয়।
কী কী খাবার খাওয়া উচিত?
- PCOS কে নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য বাদাম, কাজু, পালং শাক এবং কলা খাওয়া যেতে পারে। কারণ এই সকল খাবার ক্যালসিয়াম, পটাসিয়াম এবং জিঙ্ক খনিজ সমৃদ্ধ। ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে। তবে অবশ্যই শাক-সবজি, বাড়িতে রান্না করা খাবার, খেতে হবে। ভুলেও বেশিদিন ফ্রিজে রাখা খাবার খাবেন না।
- ডায়েটে রাখা উচিত নানা রকমের দানা জাতীয় শস্য, ডিম, কুমড়ো এবং সূর্যমুখী বীজের মতো প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার। এবং অবশ্যই ময়দার বদলে খেতে পারেন মাল্টিগ্রেন আটা। যা ওজন নিয়ন্ত্রণে একদিকে যেমন উপকারী ঠিক তেমনই আবার ফাইবার সমৃদ্ধ।
- অলিভ অয়েল বা যে কোনও খাঁটি তেল ব্যবহার করতে পারেন রান্নার জন্য। এবং চকোলেটের বদলে ডার্ক চকোলেট এক টুকরো করে চলতে পারে মাঝেমাঝে। এবং রেড মিটের বদলে চিকেন খান যেটা খুবই উপকারী।
আরও পড়ুন: পেডিকিওরের জন্য জলে মেশান এই উপাদানগুলো, পায়ের গোড়ালি হবে নরম
কী কী খাবার খাওয়া উচিত নয়?
- PCOS হলে কফি একদমই খাওয়া উচিত নয়। কারণ এটিতে ক্যাফেইন থাকায় হরমোনের আচরণ এবং ইস্ট্রোজেনের মাত্রা পরিবর্তন হতে পারে। এক্ষেত্রে ভেষজ চা এবং গ্রিন টি খাওয়া যেতে পারে।
- পিসিওএস থাকলে দুধ এবং দুগ্ধজাতীয় খাবার খাওয়া সঠিক নয়। অনেকে আছেন, যাঁরা নিয়মিত দুগ্ধজাতীয় খাবার খান। এবং তাঁদের কোনও সমস্যা হয় না। আবার অনেকের সমস্যা হয়, তাই সেক্ষেত্রে তারা ওটমিল খেতে পারেন।










