সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: তৃণমূলের আমলে বাংলায় নিয়োগের (Recruitment) ক্ষেত্রে দুর্নীতি নিয়ে নতুন করে কিছু উল্লেখ করার নেই। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি থেকে শুরু করে পুরনিয়োগ, শিক্ষা কর্মীসহ একাধিক জায়গায় দুর্নীতির শিকড় বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত। তবে রাজ্যে পালাবদল হতেই নিয়োগের ক্ষেত্রে ভরসা যোগাচ্ছে ডাবল ইঞ্জিন সরকার (Government of West Bengal)। প্রত্যেকটি ক্ষেত্রে শূন্যপদ পূরণ করা হবে বলে বারবার আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার সমস্ত দফতরে যেখানে যা শূন্যপদ পড়ে রয়েছে, তা আগামী এক বছরের মধ্যেই নিয়োগ করা হবে বলেই জানানো হল রাজ্য সরকারের করা তরফ থেকে।
এক বছরের মধ্যেই রাজ্যের সমস্ত শূন্যপদ পূরণ
নবান্নের তরফ থেকে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকা শূন্যপদের মধ্যে যেগুলি আগামী এক বছরের মধ্যে পূরণ করা অত্যন্ত জরুরি, সেগুলিকে চিহ্নিত করার নির্দেশ পাঠানো হয়েছে। এমনকি জরুরি ভিত্তিতে প্রত্যেকটি দফতরে এ বিষয়ে তথ্য চাওয়া হয়েছে। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে যে, এক বছরের মধ্যেই সম্পন্ন হবে এই নিয়োগ প্রক্রিয়া। এমনকি রাজ্যস্তরের ম্যানপাওয়ার র্যাশনালাইজেশনের কমিটি খুব শীঘ্রই একটি বৈঠকে বসতে চলেছে। উক্ত বৈঠকের আগেই শূন্যপদের তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এমনকি নবান্ন সূত্রে খবর, প্রত্যেকটি দফতরকে প্রয়োজন অনুযায়ী তাদের নির্দিষ্ট শূন্যপদের তালিকা তৈরি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে আপাতত সমস্ত শূন্যপদ একসঙ্গে পূরণ করা সম্ভব না হওয়ায় যেগুলি জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন, সেগুলিকেই আপাতত পূরণ করা হবে। কারণ, দীর্ঘদিন ধরেই কর্মীর অভাবে ভুগতে হচ্ছে সরকারি দফতরগুলিকে। এমনকি প্রশাসনিক কাজকর্মে বিলম্ব তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিকে গুরুত্ব দিয়েই এবার নিয়োগের সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের।
আরও পড়ুন: আরও বাড়ল যোগ্য শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ, বড় রায় সুপ্রিম কোর্টের
এদিকে ম্যানপাওয়ার র্যাশনালাইজেশনের বৈঠকের আগেই এই শূন্যপদ পূরণের তোড়জোড় শুরু করেছে রাজ্য সরকার। এমনকি উক্ত বৈঠকে সংশ্লিষ্ট দফতরগুলির কাজের পরিধি থেকে শুরু করে কোথায় কতগুলি পদ খালি রয়েছে সেই সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে। তাছাড়া কোথায় প্রয়োজনের তুলনায় কর্মী বেশি আবার কোথায় কর্মীর ঘাটতি তাও পর্যালোচনা করা হবে, এবং সবদিক বিবেচনা করে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।










