সহেলি মিত্র, কলকাতা: বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট। এদিকে ভোটের কাজে লিপ্ত রয়েছেন বহু কর্মী যাদের মধ্যে রয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষিকা থেকে শুরু করে বহু ফিল্ডের মানুষজন। তবে এখনো অবধি সরকারের তরফে বাংলা সরকারি কর্মীদের জন্য পূর্বে ঘোষিত হওয়া ৪ শতাংশ মহার্ঘ্য ভাতা (Dearness allowance) দেওয়া হয়নি। স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন হচ্ছে তাহলে কি আর DA মিলবে না? এত কিছু প্রশ্নের মাঝেই অবশেষে সামনে এলো সেই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত খবর আপনি কি একজন সরকারি কর্মচারী তাহলে বিষয় জানতে চোখ রাখুন আজকের এই আর্টিকেলটির ওপর।
অবশেষে মিলছে ৪% DA?
ভোটের মুখে নতুন করে খারাপ খবর অপেক্ষা করছে সকলের জন্য। আসলে এপ্রিল মাসের মাইনের সঙ্গে মহার্ঘ্য যোগ হবে না বলে জানা গিয়েছে। যেহেতু গতকাল মঙ্গলবার অবধি এই সংক্রান্ত নবান্নের তরফে কোনওরকম বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়নি, তাই বিভিন্ন দফতরের তরফে পুরনো হরেই স্যালারি স্লিপ তৈরি হওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। অনেক সরকারি কর্মীর ফোনে ম্যাসেজও চলে এসেছে বেতন সংক্রান্ত। যদিও সেখানে রাজ্য বাজেটে ঘোষণা হওয়া ৪% ডিএ নিয়ে কোনোরকম উল্লেখ নেই।
আরও পড়ুনঃ ৩০ এপ্রিল ডেডলাইন! কর্মী, পেনশন প্রাপকদের জন্য অষ্টম বেতন কমিশন নিয়ে বড় খবর
আজ বুধবার সকাল থেকে ডিএ-র টাকা যোগ ছাড়াই বিল করতে শুরু করেছে রাজ্য সরকারের বিভিন্ন দফতর। যেহেতু Drawing and Disbursing Officer (DDO)-রা নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বিল না পাঠালে বেতন আটকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই অর্ডার না এলেও বিল তৈরি করে তা কলকাতায় পে অ্যান্ড অ্যাকাউন্টস অফিসে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারের নিয়ম অনুযায়ী, একবার বিল পাশ হয়ে গেলে নতুন করে সংশোধনের সুযোগ থাকে না বললেই চলে।
নির্বাচন কমিশনকে তুলোধনা সরকারের
এদিকে রাজ্য সরকার ডিএ যে দিতে পারছে না সেটার জন্য নির্বাচন কমিশনকে কাঠগড়ায় তুলেছেন বিদায়ী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কমিশনের বিরুদ্ধে ফাইল আটকে রাখার অভিযোগ এনেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।কমিশনের উদ্দেশে কড়া সুরে মমতা বলেন, “বাজেটে ঘোষণা করা হয়েছিল ৪ শতাংশ ডিএ দেওয়ার কথা। এটা ভোটের আগের ঘোষণা, পরের নয়। তাই এই ফাইল আটকে রাখার কোনও এক্তিয়ার কমিশনের নেই।” সরকার যদি ডিএ দিয়ে দিত তাহলে সকলের অ্যাকাউন্টে মাইনে সহ ২২ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা ক্রেডিট হতো।










