সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ ফের একবার কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বারস্থ হল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জানা গিয়েছে, বন্যা মোকাবিলায় (Bengal Flood Management) কেন্দ্রের কাছে ৩,৩০০ কোটি টাকার প্রস্তাব জমা দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। হ্যাঁ একদম ঠিক শুনেছেন। আচমকা কেন এই প্রস্তাব জমা দেওয়া হল সরকারের তরফে? উঠছে প্রশ্ন।
কেন্দ্রের কাছে ৩০০০ কোটি টাকা চাইল সরকার!
সূত্রের খবর, উত্তরবঙ্গ-সহ বন্যাপ্রবণ এলাকায় বাঁধ মেরামত, নদীভাঙন রোধ ও বন্যা মোকাবিলার পরিকাঠামো শক্তিশালী করাই লক্ষ্য। তবে এই অর্থ এখনও কেন্দ্রের অনুমোদিত বরাদ্দ নয়। মালদা ও মুর্শিদাবাদের বারবার ফিরে আসা বন্যা ও নদীভাঙন সংকটের স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রের কাছে ৩,৩০০ কোটি টাকার একটি প্রস্তাব পাঠিয়েছে। বৃহস্পতিবার একথা জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)।
বিশেষ বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর
মানিকচকের একটি অনুষ্ঠানে তিনি আরও জানান, ‘কেন্দ্র ইতিমধ্যে ৫০০ কোটি টাকা অনুমোদন করেছে। জল নেমে যাওয়ার পর স্থায়ী সমাধানের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে। তহবিলের কোনো সমস্যা হবে না। প্রয়োজনে আমরা নাবার্ড, এডিবি এবং অন্যান্য উৎস থেকে তহবিল চাইব। আমাদের সরকার বন্যা-আক্রান্ত মানুষের দুর্ভোগের অবসান ঘটাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আইআইটি কানপুরের যে দলটি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পরিদর্শন করেছিল, তাদেরও ভাঙন সমস্যার স্থায়ী সমাধানের জন্য একটি বিস্তারিত প্রকল্প রিপোর্ট প্রস্তুত করতে বলা হয়েছে।’
আরও পড়ুন: ১০.৫০ লক্ষ টাকার বদলে মিলছে ৭ লক্ষই! EDLI বিমা নিয়ে প্রশ্নের মুখে EPFO
এই বন্যা প্রশমন পরিকল্পনাটি মালদার মানিকচক, রতুয়া, ইংলিশ বাজার ও কালিয়াচক-২-এর ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোর পাশাপাশি মুর্শিদাবাদের লালগোলা ও সামসেরগঞ্জসহ নদীর তীরবর্তী এলাকাগুলোকেও অন্তর্ভুক্ত করবে। মালদায় সাম্প্রতিক বন্যা ও ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত ২৪,৫৯৫ জনের জন্য রাজ্য সরকার ২৪১.৬ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণ প্যাকেজ দিচ্ছে বলে জানিয়েছে সরকার। বন্যা-বিধ্বস্ত এলাকা আকাশপথে পরিদর্শনের পর মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যেসব পরিবারের বাড়িঘর সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা ১.৮০ লক্ষ টাকা পাবে, আর যাদের বাড়িঘর আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, তারা ৯০,০০০ টাকা পাবে।’










