সহেলি মিত্র, কলকাতাঃ বাংলায় বিধানসভা ভোটের ডঙ্কা বেজে গিয়েছে। জায়গায় জায়গায় প্রচার শুরু হয়ে গিয়েছে শাসক দল থেকে শুরু করে বাকি রাজনৈতিক দলগুলির। এক কথায় প্রচার তুঙ্গে রয়েছে। যদিও চলমান ভোট প্রচারের মাঝে ডিএ (Dearness allowance) বিষয়ে আরও এক ধাপ এগোল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কাদের বকেয়া টাকা পাওয়া আছে, তাঁদের তালিকা চেয়ে পাঠানো হল। চলুন আরও বিশদে জেনে নেওয়া যাক।
শীঘ্রই DA পাবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা?
এতদিন ধরে ধোঁয়াশা ছিল যে রাজ্যের স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষা কর্মীরা বকেয়া ডিএ বা মহার্ঘ্য ভাতার টাকা পাবেন কিনা তা নিয়ে। এমনকি তাঁরা সম্প্রতি ধর্মঘটেও সামিল হয়েছিলেন। কিন্তু এবার মনে হচ্ছে সকলের সেই আশা শীঘ্রই পূরণ হতে চলেছে। নিশ্চয়ই ভাবছেন কীভাবে? বিকাশ ভবন (Bikash Bhavan) সূত্রের খবর, গতকাল সোমবার রাজ্যের সব সরকার পোষিত বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে কর্মরত শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের বিস্তারিত তথ্য চেয়ে পাঠিয়েছে উচ্চ শিক্ষা দফতর।
আরও পড়ুনঃ মুহুর্মুহু বাজ! ৭০ কিমি বেগে কালবৈশাখী, দক্ষিণবঙ্গের ৭ জেলায় সতর্কতা, আজকের আবহাওয়া
এর পাশাপাশি অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারীদের তালিকাও চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে বলে খবর। অর্থাৎ শীঘ্রই সকলের অ্যাকাউন্টে মোটা অঙ্কের টাকা যে ক্রেডিট হবে তা বলাই বাহুল্য। এদিকে সরকারের এহেন পদক্ষেপের ফলে খুশির হাওয়া বইছে শিক্ষা মহলে। বাদ যাবেন স্কুলের শিক্ষা, শিক্ষা কর্মীরা? উত্তর হল না। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মীদের তালিকার আগেও স্কুল শিক্ষা দফতরের তরফে রাজ্যের স্কুলগুলিতে কর্মরত যোগ্য কর্মীদের তালিকা তৈরি কাজ আগেভাগেই শুরু হয়ে গিয়েছে বলে সরকারি সূত্রে খবর। গত ১ এপ্রিল বৈঠক হয় নবান্নে। তারপরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
কাজ কতদূর এগিয়েছে?
এ প্রসঙ্গে বড় তথ্য দিয়েছেন বঙ্গীয় শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী সমিতির সাধারণ সম্পাদক স্বপন মণ্ডল। তিনি বলেন, ‘উচ্চ শিক্ষা দফতর ইতিমধ্যে তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে। স্কুলশিক্ষা দফতরও এ বিষয়ে উদ্যোগী হবে বলে আশা করছি। দ্রুত এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়, তা দফতরের দেখা উচিত।’ যদিও এখন প্রশ্ন উঠছে, স্কুল শিক্ষা দফতরের কাজ কতদূর অবধি এগিয়েছে? সরকার কিন্তু ২০১৬ জানুয়ারি থেকে ২০১৯ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বকেয়া মহার্ঘ ভাতা দেওয়ার কথা বলেছে। দুই কিস্তিতে এই টাকা মেটানো হবে। বাকি বকেয়া টাকা আগামী দিনে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার। এদিকে স্কুলের শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের তথ্য বাংলার শিক্ষা পোর্টালে আইওএসএমএস থেকেই সংগ্রহ করে নিচ্ছে দফতর। সেই কাজও চলছে। ফলে শীঘ্রই যাচাইপ্রক্রিয়া শেষে শীঘ্রই টাকা পাবেন বলে আশাবাদী শিক্ষক সমাজ।












