বিক্রম ব্যানার্জী, কলকাতা: যন্তর মন্তর 2.0 এর ডাক দিয়েছিল ককরোচ জনতা পার্টি (CJP Protest)। দিল্লির বুকে বড়সড় আন্দোলনে নামার কথা ছিল তাদের। কিন্তু তার ঠিক আগেই অভিজিৎ দীপকেদের আটক করে পুলিশ (Delhi Police)। একেবারে বিমানের ভেতর থেকেই অভিজিৎ, সৌরভ দাস এবং আশুতো রাঙ্কাকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়। আর তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠছে, ঠিক কোন আইনে বা কোন নিয়ম মেনে পুলিশ একেবারে বিমানের ভেতরে ঢুকে অভিজিতদের পাকড়াও করল?
কীভাবে বিমানের ভেতরে ঢুকল পুলিশ?
দ্য হিন্দুর রিপোর্ট অনুযায়ী, দিল্লি বিমানবন্দরে অবতরণের পর একেবারে ফ্লাইটের ভেতর থেকে অভিজিতের আটক করার ঘটনায় এবার পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। জানা যাচ্ছে, ঠিক কীভাবে পুলিশ আধিকারিকরা, বিমানের ভেতরে ঢুকতে পারলেন তা নিয়ে এয়ার ইন্ডিয়ার তরফে ব্যুরো অফ সিভিল এভিয়েশন সিকিউরিটির কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। এয়ার ইন্ডিয়া জানতে চেয়েছে, কোন নিয়ম মেনে পুলিশ বিমানের ভেতরে প্রবেশ করতে পেরেছিল।
এদিকে পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, দেশের নির্দিষ্ট আইন অনুযায়ী পুলিশ ভারতের যেকোনও স্থানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারে। তাঁদের বক্তব্য, ভারতীয় ফৌজদারি কার্যবিধি, ভারতীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা আইন এবং ভারতীয় সাক্ষ্য আইনের আওতায় এই ক্ষমতা পেয়েছেন তাঁরা। পুলিশের দাবি, ট্রেন যেমন অপরাধীদের ধরার জন্য ব্যবহার করা যেতে পারে, ঠিক একইভাবে বিমানও পরিবহনের মাধ্যম। সেখানে যাওয়ায় কোনও বিধিনিষেধ নেই।
আরও পড়ুন: “আমি CJP-র সদস্য নই, সাধারণ নাগরিক হিসেবে..” পাল্টি মারলেন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি
সাধারণত, বেসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রকের বিমান নিরাপত্তা বিধিমালা 2023 এর বিধি 22 অনুযায়ী, ভিজিটর পাস, বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যুরোর মহাপরিচালকের অনুমতি, অথবা কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমতি থাকলে তবেই বিমানে প্রবেশ করা যায়। হিন্দুস্থান টাইমসের এক রিপোর্ট অনুযায়ী, অভিজিতদের বিমানে ঢোকার আগে সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকদের বিশেষ পাস দেওয়া হয়েছিল। যার জেরে ওই পাস পেয়েই দরজা খোলার পর একে একে বিমানে প্রবেশ করেছিলেন মহিলা এবং পুরুষ পুলিশ অফিসারেরা।










