“আমি CJP-র সদস্য নই, সাধারণ নাগরিক হিসেবে..” পাল্টি মারলেন ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি

Published:

Dhruv Rathee

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: দিল্লির যন্তরমন্তরে ককরোচদের প্রতিবাদে যোগ দিতে গিয়ে গ্রেফতার হন বিখ্যাত ইউটিউবার ধ্রুব রাঠি (Dhruv Rathee)। যদিও পরে তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়। তবে এবার ধ্রুব স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তিনি ককরোচ জনতা পার্টির সঙ্গে যুক্ত নন এবং কোনও পলিটিক্যাল দলের সদস্য নন, বরং একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবেই ওই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগদান করেছেন।

ককরোচদের প্রতিনিধি নন ধ্রুব রাঠি

ভারতীয় নাগরিক হলেও থাকেন জার্মানিতে। সেখান থেকেই ভারত সরকারের বিরুদ্ধে ভিডিও বানিয়ে নিয়মিত সুর চড়ান তিনি। প্রত্যক্ষভাবে কোনও রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত না থাকলেও আমজনতার বুঝতে বাকি নেই যে তিনি মোদী সরকারের চরম বিরোধী। সেই সূত্রেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে ভারতে এসে প্রথমেই বেঙ্গালুরুতে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে যোগদান করেন বিখ্যাত ইউটিউবার। তবে ১০ অক্টোবর দিল্লির যন্তরমন্তরে কর্মসূচিতে যোগ দেওয়ার আগেই গুরুগ্রামের হোটেল থেকে আটক করা হয় তাঁকে। যদিও সন্ধ্যার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয় ইউটিউবারকে।

পুলিশের দাবি, ধ্রুব রাঠি ভারতীয় নাগরিক নন এবং তাঁর কাছে রয়েছে জার্মানির পাসপোর্ট। অন্য দেশের নাগরিক হয়ে ভারতে এসে রাজনৈতিক আন্দোলনে যোগ দেওয়ার অভিযোগেই আটক করা হয় তাঁকে। তবে এদিন মিডিয়ার সামনে ধ্রুব স্পষ্ট জানিয়েছেন যে তিনি কোনও পলিটিক্যালপার্টির সদস্য নন। তাঁর কথায়, “আমি সাধারণ মানুষ হিসেবেই এখানে এসেছি। এমনটা নয় যে আমি সিজেপির একজন সদস্য বা আমি অন্য কোনও রাজনৈতিক দলের সদস্য। ইন্ডিভিজ্যুয়াল হিসেবে এসেছি আমি।”

আরও পড়ুন: ভারতের আন্দোলনকে সমর্থন করে বাংলাদেশে মশাল মিছিল, প্রধানমন্ত্রী মোদিকে গালিগালাজ!

তাঁর আরও সংযোজন, “দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষ এই প্রতিবাদে অংশগ্রহণ করেছে। আমি তাদের মধ্যে একজন। আমি রাজনীতিতে যুক্ত হতে চাই না। কিন্তু তাও যদি কোনও পলিটিক্যাল পার্টির নাম ওঠে, তাহলে ঠিক আছে। কিছু বলার নেই।” যদিও গতকাল মুক্তি পাওয়ার পর ধ্রুব রাঠি সমাজমাধ্যমে দাবি করেন যে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়নি, বরং অপহরণের চেষ্টা করেছিল দিল্লি পুলিশ। নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

google button