অনুপ্রবেশমুক্ত হবে ভারত, দিল্লিতে ৮৫০ কর্মকর্তাকে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক শাহের

Published:

Amit Shah

সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: সীমান্ত সুরক্ষিত করে দেশকে অনুপ্রবেশমুক্ত করতে বিরাট পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় সরকারের। দেশের ৮৫০ জন কর্মকর্তাকে ডেকে এবার দিল্লিতে বড়সড় বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এমনকি তিনি জানিয়েছেন, মোদী সরকারের মূল লক্ষ্য হল, খুব অল্প সময়ের মধ্যেই দেশকে সম্পূর্ণ অবৈধ অনুপ্রবেশমুক্ত করা। সেই লক্ষ্য অর্জন করার জন্যই বিগত আট মাস ধরে সীমান্ত রাজ্যগুলির সঙ্গে আলোচনা চালাচ্ছে কেন্দ্র, এবং এই সম্পর্কিত একটি নথি উপস্থাপন করা হয়েছে।

দেশকে অনুপ্রবেশমুক্ত করতে বিরাট পদক্ষেপ

ইন্টেলিজেন্স ব্যুরো আয়োজিত জাতীয় নিরাপত্তা কৌশল সম্মেলনের অধিবেশনে সীমান্ত রাজ্যগুলির প্রায় ৮৫০ জন কর্মকর্তাকে বৈঠকে বসিয়ে অমিত শাহ বলেন, এই দেশ কোনও ধর্মশালা নয় এবং এখানে কেবল নাগরিকদের বসবাস করার অধিকার রয়েছে। আমাদের মূল লক্ষ্য হল, আগামী ১৫-২০ বছরের নিরাপত্তা প্রবণতা আর চ্যালেঞ্জগুলিকে আগে থেকেই অনুমান করা এবং সেগুলি মোকাবিলার জন্য কৌশল তৈরি করা। এমন একটি পরিবেশ তৈরির মাধ্যমে আমরা নিরাপদ, অনুপ্রবেশমুক্ত এবং মাদকমুক্ত ভারত গড়তে সক্ষম হব।

প্রসঙ্গত, এ দিনের বৈঠকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থা থেকে শুরু করে বিভিন্ন রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের পুলিশ এবং গোয়েন্দা সংস্থাগুলির ৮৫০ জনের বেশি কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। সেখানে অমিত শাহ রাজ্য পুলিশ বাহিনী, কেন্দ্রীয় সংস্থা আর সিআইএসএফের প্রশংসা করে জানিয়েছেন, তারা জম্মু ও কাশ্মীর, বামপন্থী-চরমপন্থা আক্রান্ত এলাকা এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চল, এই তিনটি সংঘাতপূর্ণ এলাকার প্রতিবন্ধকতাগুলি দূর করেছে। পাশাপাশি পূর্ববর্তী সরকার যদি এই সমস্যা গুরুতর হওয়ার আগেই অনুমান করতে পারত, তাহলে দেশকে কয়েক দশক ধরে আর ভুগতে হত না।

আরও পড়ুন: অন্নপূর্ণা প্রাপকদের বাড়তে সাঁটানো হচ্ছে স্টিকার, বিশেষ উদ্যোগ শঙ্কর ঘোষের

শাহ জানান, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ২০৪৭ সালের মধ্যেই উন্নত ভারত গড়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন, এবং উন্নত ভারতের সবথেকে বড় লক্ষ্য হল শক্তিশালী অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা। যদি আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে এক নম্বর হতে চাই, তাহলে অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তাকে আরও জোরদার করতে হবে। এমনকি সন্ত্রাসবিরোধী নীতিমালা প্রয়োগকে শুধুমাত্র কাগজ-কলমে না রেখে বাস্তবায়নের উপর জোর দিয়েছেন তিনি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মূল লক্ষ্য হল, দেশকে মাদকাসক্তি থেকে নির্মূল করা এবং সন্ত্রাসবাদকে গোড়া থেকে দমন করা।”