সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: অন্নপূর্ণা যোজনা (Annapurna Yojana) থেকে যাতে রাজ্যের কোনও মহিলা বঞ্চিত না হন, সেই উদ্যোগ ইতিমধ্যেই গ্রহণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। কিন্তু তা সত্ত্বেও রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে একাধিক অভিযোগ সামনে আসছে। এমনকি যোগ্য হয়েও টাকা না পাওয়ার অভিযোগে বিডিও অফিস, পৌরসভা ঘেরাও পর্যন্ত করছেন ক্ষুব্ধ মহিলারা। তবে অন্নপূর্ণার সুবিধা প্রত্যেকের মধ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবার বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ।
অন্নপূর্ণা প্রাপকদের বাড়ি বাড়ি লাগানো হচ্ছে স্টিকার
শিলিগুড়ি বিধানসভায় অন্তত ৩২ হাজার মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনা সুবিধা পাচ্ছেন বলেই জানিয়েছেন বিধায়ক। কিন্তু প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মতো মহিলা এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। তাঁদেরও প্রকল্পের আওতায় আনতে এবার বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন বিধায়ক। প্রত্যেক মহিলার বাড়িতে গিয়ে তিনি জিজ্ঞাসা করছেন, অন্নপূর্ণা পেয়েছেন কিনা। যদি সেই মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনা পেয়ে থাকেন, তাহলে তাঁর বাড়ির দেওয়ালে সাঁটিয়ে দেওয়া হচ্ছে ‘অন্নপূর্ণা যোজনা গর্বিত প্রাপক’। এমনকি যাঁরা পাচ্ছেন না, তাঁদের বিধায়কের অফিসে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।”
বিধায়ক তথা রাজ্যের পর্যটন মন্ত্রী নিজেই জানিয়েছেন, “শিলিগুড়ি শহরে বর্তমানে ৩২ হাজার মহিলা অন্নপূর্ণা যোজনা পাচ্ছেন। কিন্তু বঞ্চিত হচ্ছেন প্রায় সাড়ে ৩ হাজার মহিলা। এই সমস্ত আবেদনকারীদের আবেদন এখনও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। আবেদন করেও যাঁরা এখনও পর্যন্ত সুবিধা পাননি, তাঁদের জন্য বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। বিধায়ক সেবা কেন্দ্রগুলির মাধ্যমে পাওয়া অবেদনগুলি যাচাই করে নারী ও শিশু কল্যাণ দফতরে পাঠানো হচ্ছে।”
আরও পড়ুন: ভুয়ো শংসাপত্র দিয়েই বিদেশে ৫৫৫ কোটি পাচার, বিরাট কীর্তি কলকাতার ভাই-বোনের
প্রসঙ্গত, চলতি মাসে মোট ১ কোটি ৪৫ লক্ষ মহিলার অ্যাকাউন্টে অন্নপূর্ণার যোজনার টাকা ঢুকেছে বলেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অন্যদিকে যে ১৭ লক্ষ আবেদন বাতিল হয়েছে, তাঁদের মধ্যে বেশিরভাগের ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে আধার কার্ডের তথ্যে গরমিল ছিল। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, রাজ্যের মহিলা মোর্চা সদস্যদের মাধ্যমেই বাতিল হওয়া আবেদনগুলি পুনরায় যাচাই করে যোগ্য প্রমাণিত হলে মিলবে টাকা।










