সৌভিক মুখার্জী, কলকাতা: রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মিড-ডে মিল রাঁধুনিদের জন্য বিরাট সুখবর। রাজ্য সরকারের তরফ থেকে মিড-ডে মিল কর্মসূচির আওতায় কর্মরতদের জন্য এবার ক্যাশলেস মেডিকেল কার্ড (Medical Card) চালু করার ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বিশেষ করে তাঁদের স্বাস্থ্য, সুরক্ষা আর মর্যাদা নিশ্চিত করার জন্যই এই উদ্যোগ রাজ্য সরকারের। মুখ্যমন্ত্রী নিজেই এক্স হ্যান্ডেলে আজ এ কথা জানিয়েছেন। কিন্তু কীভাবে মিলবে এই সুবিধা?
মিড-ডে মিল রাঁধুনিদের জন্য বড় ঘোষণা সরকারের
বলে দিই, এই ঘোষণা করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশের বিজেপি সরকারের তরফ থেকে। এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জানিয়েছেন, “স্কুলের রান্নাঘরে যে রান্না করা হয় তা শুধুমাত্র খাবার তৈরির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি লক্ষ লক্ষ শিশুর স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং ভবিষ্যৎ গঠনের ক্ষেত্রে অবদান রাখে। আমাদের রাঁধুনি মা ও বোনেরা, যাঁরা তাঁদের শ্রম এবং মাতৃস্নেহ দিয়ে এই পবিত্র দায়িত্ব পালন করছেন, তাঁরাই পিএম পোষণের প্রকৃত ভিত্তিশক্তি। আজ এই কর্মযোগী রাঁধুনিদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি রাজ্যের মোট ৩.৫৪ লক্ষ রাঁধুনিকে ক্যাশলেস মেডিকেল কার্ড বিতরণ করা হবে।”
মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই উদ্যোগটি একটি বড় কর্মসূচির প্রতিনিধিত্ব করে, যা শ্রমিকদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি তাঁদের স্বার্থ আর সুরক্ষার চাহিদা পূরণের দিকেও অগ্রসর হয়। এতে এই সমস্ত কর্মীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে। এমনকি তিনি এই কর্মসূচিকে কেন্দ্র এবং উত্তরপ্রদেশ সরকারকে উল্লেখ করে বিজেপির নেতৃত্বাধীন ডবল ইঞ্জিন সরকারের কল্যাণমূলক কর্মসূচি হিসেবে তুলে ধরেছেন।
जिस देश का बचपन स्वस्थ होगा, वही देश समर्थ होगा।
‘पीएम पोषण योजना’ के अंतर्गत कार्यरत मिड-डे मील रसोइयों के सम्मान हेतु आज लखनऊ में आयोजित समारोह में सम्मिलित हुआ। इस अवसर पर 3.54 लाख रसोइयों के लिए प्रति वर्ष ₹5 लाख तक कैशलेस उपचार की सुविधा प्रदान करते हुए कैशलेस चिकित्सा… pic.twitter.com/Q9hmJVLKPg
— Yogi Adityanath (@myogiadityanath) August 23, 2026
আরও পড়ুন: হাতে লাল সুতো, ফোনে হিন্দু মেয়েদের প্রাইভেট ফটো, হাবড়ায় গ্রেফতার ‘লাভ জিহাদি
জানিয়ে রাখি, পিএম পোষণ প্রকল্পের আওতায় গোটা দেশজুড়ে যোগ্য সরকারি এবং সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত স্কুলের শিশুদেরকে রান্না করে খাবার পরিবেশন করা হয়। এমনকি স্কুলের রাঁধুনিরা এই ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু স্বনির্ভর গোষ্ঠীর এই সমস্ত মহিলাদের বেশিরভাগই গ্রাম্য পরিবারে দিন আনা দিন খাওয়া অবস্থা। তাই তাঁদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার কথা মাথায় রেখেই এই ঘোষণা করা হয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকারের তরফ থেকে।










